তিন সংস্করণ মিলে বাংলাদেশ দলে এখন পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার। সেই সাকিব, তামিম, মুশফিক, রিয়াদ, মাশরাফির হাত ধরেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন ‘ভয়ঙ্কর’ প্রতিপক্ষ। এমনকি বছর দুয়েক ধরে টেস্টেও ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলে চলছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যের কাণ্ডারি আসলে কে?
শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে একের পর এক পালক যুক্ত হতে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।
তবে কি হাথুরুসিংহের হাতে জাদুর কোন কাঠি রয়েছে? মুশফিক অবশ্য এটা মানতে নারাজ। তার মতে ভালো একটি দল পাওয়াতেই হাথুরুসিংহে সাফল্যগুলো তুলে নিতে পারছেন! তাই বলে মুশফিক কোচের অবদান পুরোপুরি অস্বীকারও করলেন না, ‘সত্য হলো, তার কৌশল অনেক ভালো। তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে, আমি-সাকিব-তামিম-মাশরাফি-রিয়াদ ভাই কিন্তু ১০-১২ বছর ধরে খেলছি। পাঁচ ছয়জন যখন এভাবে খেলবে, তখন কিন্তু এটা দলের ভালো করার পথে থাকে। আমি মনে করি চন্ডিকা ভালো সময়ে, সেরা একটা দল পেয়েছে।’
সিনিয়র ক্রিকেটার-বর্তমান কোচ ছাড়াও মুশফিক সাবেক হয়ে যাওয়া কোচদের কথা স্মরণ করলেন, ‘ডেভ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত যারা আছেন, তাদের অনেক কৃতিত্ব আছে। আমি মনে করি জেমি সিডন্সের ব্যাটিং কোচ হিসেবে অনেক বড় কৃতিত্ব আছে। চান্ডিকার সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো নতুনদের তিনি অনেক স্বাধীনতা দিয়েছেন। অনেক সময় দেখা যায় তরুণরা স্বাধীনভাবে খেলতে চায়, তারা চাপে পড়লে স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারে না। তিনি তরুণদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। আরেকটা বড় গুণ হলো, আমাদের সবাইকে সমান গুরুত্বসহকারে দেখেন। সবাইকে মনে করেন ম্যাচ উইনার। এরকম ছোট ছোট ব্যাপার প্রত্যেকটা দলকে শক্তিশালী করে।’
দলে বেশকিছু পারফরমার থাকার কারণেই টেস্টে উন্নতি করছে বাংলাদেশ, ‘আমাদের দলে এমন কয়েকজন পারফরমার আছে যারা ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। এমন একটা দল ভালো করলে টেস্টে উন্নতি করতে বাধ্য। আমার মনে সে জায়গাটায় বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এগোচ্ছে।’








