চট্টগ্রামে শুরুতে সতর্ক শুরু করেছিল বাংলাদেশ। যদিও সতর্ক শুরুতে খুব বেশি সফল হতে পারেনি স্বাগতিকরা। মধ্যাহ্নভোজে যাওয়ার আগে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশন ৭০ রানে শেষ করে বাংলাদেশ। বিরতির পর ফিরে মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান ও মুমিনুল। হয়তো চেষ্টায় ছিলেন নতুন প্রতিরোধ গড়ার। কারণ সৌম্যর সঙ্গে জুটি গড়েই প্রতিরোধের দেওয়াল গড়ছিলেন তিনি। অথচ সেই প্রতিরোধটাই ভেঙে দেন স্পিনার নাথান লিওন। ৩১ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন মুমিনুল। তার ৬৭ বলের ইনিংসে ছিল দুটি চার।
অবশ্য আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের পর রিভিউ নিতে সাকিবের পরামর্শ চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সাকিব নেতিবাচক মনোভাব দেখালে সাজঘরের পথ ধরেন বাঁহাতি এই ক্রিকেটার।
অবশ্য শুরুটা দেখে-শুনেই অসিদের সামাল দিয়ে খেলছিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। আর খেলার ধারাতেই শুরুতে সপ্তম ওভারে জীবন পেয়েছিলেন তামিম ইকবাল। প্যাট কামিন্সের বলে থার্ড স্লিপে তামিমের ক্যাচ ছেড়ে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
অবশ্য নবম ওভারে আর জীবন পাননি। নাথান লিওনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন। বিদায় নেন ৯রানে। এরপর দ্বিতীয় টেস্টে নেমেও কিছুই করতে পারেননি ইমরুল। প্রথম টেস্টের মতো ছিলেন ব্যর্থ। লিওনের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ৪ রানে ফেরেন তিনি।
এরপর প্রতিরোধের দেওয়ার দিকে তটস্থ হতে দেখা যায় সৌম্য ও মুমিনুলকে। এই জুটিতে আসে ৪৯ রান। ধীরে ধীরে পোক্ত হচ্ছিল তাদের প্রতিরোধ। অথচ মধ্যাহ্নভোজে যাওয়ার একটু আগেই তাদের জুটিতে আঘান হানেন সেই লিওন। ৩৩ রানে ব্যাট করতে থাকা সৌম্যকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন অসি এই স্পিনার।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯২ রান। ক্রিজে আছেন সাকিব আল হাসান (১১) ও মুশফিকুর রহিম (৪)।
সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও টস জিতেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। আজকের একাদশে একটি মাত্র পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। সুযোগ পেয়েছেন মুমিনুল।
অসিদের দলে ঢাকা টেস্ট থেকে দুটি পরিবর্তন এসেছে। ওসমান খাজা ও জশ হ্যাজলউডের জায়গায় দলে রয়েছেন হিলটন কার্টরাইট ও স্টিভ ও’কিফ।








