পচেফস্ট্রুমের প্রথম টেস্টের মতো দ্বিতীয় টেস্টেও দাপট দেখাচ্ছেন ওপেনার ডিন এলগার। বরং ব্যাটিংটা হয়েছে আরও আগ্রাসী। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে প্রথম দিনে ২০০ ছাড়া করেছেন দুই ওপেনার ডিন এলগার ও এইডেন মারক্রাম। ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এলগার। ব্যাট করছেন ১০৭ রানে। ১৩২ বলের ইনিংসে ছিল ১৭টি চার। আগের ম্যাচে মারক্রাম অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি পাননি। তবে এবার আর সেই ভুলটা করেননি তিনি। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ১৫০ বলে ব্যাট করছেন ১০৬ রানে। চার মেরেছেন ১৭টি। প্রোটিয়াদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২১৯ রান।
পচেফস্ট্রুম টেস্টে বাংলাদেশি বোলারদের ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। মুশফিকুর রহিম সেটা স্বীকারও করেছেন। আর তাই বাদ পড়তে হলো প্রথম টেস্টের চার বোলারদের মধ্যে তিনজনকে। চারটি পরিবর্তন নিয়ে ব্লুমফন্টেইনে শুক্রবার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের মিশনে নেমেছে বাংলাদেশ। টস জিতে ফিল্ডিং নেন মুশফিকুর রহিম। পিচের কন্ডিশন বিবেচনায় হয়তো লক্ষ্য ছিল প্রথম সেশনে কিছু করে দেখানো। কিন্তু আগের টেস্টের মতো প্রতিরোধ দিয়ে দাঁড়িয়ে যান দুই ওপেনার ডিন এলগার ও এইডেন মারক্রাম। প্রথম সেশনে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন এলগার ও এইডেন মারক্রাম।
এই দুই ব্যাটসম্যানকে ঠেকাতে চেষ্টা করছেন দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, শুভাশীষ রায় ও রুবেল হোসেন। সঙ্গে স্পিনার তাইজুলও রয়েছেন। সৌম্যকে দিয়েও চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও সাফল্য পায়নি সফরকারীরা। শুভাশীষ ও মোস্তাফিজ শর্টবল দিয়ে এলগারকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন বেশ কয়েকবার। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি।
এদিকে ইনজুরিতে দ্বিতীয় টেস্টে নেই তামিম ইকবাল। আগেই বিশ্রাম চেয়ে পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। চার বছরে প্রথমবার দুইজনকে ছাড়াই টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। আর এইদিন দলে বড় পরিবর্তন এনেছে সফরকারীরা।
তামিমের জায়গায় এসেছেন সৌম্য সরকার। এছাড়া আগের টেস্টের তিন বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ ও শফিউল ইসলাম জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। তাদের বদলে একাদশে ঢুকেছেন তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও শুভাশীষ।
প্রথম টেস্টে ব্যাটিং-বোলিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ ৩৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল। ইনজুরিতে আক্রান্ত মর্নে মরকেলের জায়গায় ওয়েন পারনেলকে নিয়েছে প্রোটিয়ারা।








