ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে পাকিস্তানের নাম নতুন কিছু নয়। সব বড় বড় কাণ্ডেই জড়িয়েছেন দেশটির খেলোয়াড়রা। তবে এবার তেমন কিছু ঘটে যাওয়ার আগে সতর্ক ছিলেন একজন। যার নাম পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ! এ নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও ছিল তৎপর। সঙ্গে সঙ্গেই আইসিসিকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।
টুইটারে প্রথমে বিষয়টি মুখ খোলেন পিসিবি চেয়ারম্যারম্যান নাজাম শেঠি। তবে কারও নাম মুখে আনেননি, ‘একজন খেলোয়াড়ের কাছে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব এসেছিল।’ এরপর থেকেই তোলপাড় শুরু হয় পাকিস্তানে-কে এই খেলোয়াড়। যার আগে একই কাণ্ডে জড়িয়ে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন মোহাম্মদ আমিরের মতো তারকারা। নানা সূত্র অবশ্য জানায় সেই খেলোয়াড় আর কেউ নন, খোদ পাকিস্তান অধিনায়ক! যদিও বিষয়টি নিয়ে বেশি জলঘোলা করতে রাজি নয় পিসিবি। তাই আপাতত কথা বলতেও রাজি নয় তারা।
জানা গেছে, আবু ধাবিতে ১৭ অক্টোবর তৃতীয় ওয়ানডের আগে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আসে। দ্রুত বিষয়টি পিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের কাছে জানান সরফরাজ। পরে সেটি আইসিসিকে জানায় পিসিবি।
আইসিসির বাধ্যবাধকতাও আছে এসব বিষয়ে। কাউকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব দিলে বিষয়টি দুর্নীতি দমন ইউনিটকে জানাতে হয়। তা না করে তথ্য গোপন করলে ভোগ করতে হবে ৬ মাসের শাস্তি।
এর আগে সবশেষ ম্যাচ পাতানোর ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তান সুপার লিগেও। দোষী সাব্যস্ত হয়ে নিষিদ্ধ আছেন শারজিল খান ও খালিদ লতিফ।








