বিপিএলে এবারের আসরে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমেছে চিটাগং ভাইকিংস। আর খেলতে নেমে শুরুটাও উড়ন্ত করেছিল মিসবাহ উল হকের দল। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা ইনিংস বড় করতে না পারায় ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তুলতে পারে চিটাগং ভাইকিংস।
সিলেটে মঙ্গলবার টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জবাবে খেলতে নেমে আগ্রাসী স্টাইলে খেলতে থাকেন দুই ওপেনার লুক রনকি ও সৌম্য সরকার। শুরুতে অবশ্য আগ্রাসী ছিলেন কিউই তারকা রনকি। ২০ বলে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ব্যাট করছিলেন। হুমকি হয়ে দাঁড়ানো এই ব্যাটসম্যানকে ষষ্ঠ ওভারে আলোক কাপালির তালুবন্দী করান মোহাম্মদ নবি। ততক্ষণে তাদের সংগ্রহ ছিল ৫.৫ ওভারে ৬৩ রান।
এবার চিটাগংয়ের আইকন হিসেবে খেলছেন সৌম্য। তামিম খেলছেন কুমিল্লায়। রনকি ফিরে গেলে সৌম্য ব্যাট চালিয়েছেন সমান তালে। রনকির পর শ্রীলঙ্কান দিলশান মুনাবিরও ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। ২২ বলে ২১ রানে ব্যাট করতে থাকা এই ক্রিকেটারকে বিদায় দেন ডোয়াইন ব্রাভো। ক্যাচ ধরেন মারলন স্যামুয়েলস।
উল্টো দিকে একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলেন সৌম্য। তাতেও আগের দুর্দান্ত শুরু স্লথ হয়ে আসে। ৩৩ বলে ৩টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৮ রানে এই তারকাকে বোল্ড করেন সাইফউদ্দীন।
এনামুল হক বিজয় নামলেও ৩ রানের বেশি করতে পারেননি। সাইফউদ্দীনের বলে তালুবন্দী হন ব্রাভোর। এরপর আর থিতু হওয়ার মতো ব্যাটিং করতে পারেনি চিটাগং। বিদায় নেন লুইস রিস (৯), অধিনায়ক মিসবাহ উল হক (৬) ও সোহরাওয়ার্দী শুভ (৩)। শেষ দিকে বড় কিছু শট খেলে অপরাজিত থাকেন সিকান্দার রাজা (১৮) ও সানজামুল ইসলাম (১)।








