আগের তিন ম্যাচে টস জিতে বোলিং নিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। মঙ্গলবারও সেই সিদ্ধান্তের ব্যতিক্রম করলেন না অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে আগের মতোই বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এরপরেও সিলেটকে আটকাতে পারেনি তার দল। শুরুটা স্লথ থাকলেও বাবর আজম ও সাব্বির রহমানের দৃঢ়তায় ৫ উইকেটে ১৭৩ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে নাসির হোসের দল।
চট্টগ্রামে শুরুতে তেমন আগ্রাসন অবশ্য চালাতে পারেনি সিলেট। ৫৩ রানে ফিরে যান নুরুল হাসান, নাসির হোসেন ও আন্দ্রে ফ্লেচার। তিনজনের বিদায়ে রানের চাকা সচল করতে ভূমিকা রাখে বাবর আজম ও সাব্বির রহমান জুটি। বাবরকে ব্যক্তিগত ৫৪ রানে বিদায় দিলে ভাঙে বিপজ্জনক এই জুটি। ৩৭ বলে ৪টি চার ও একটি ছয় মারা বাবর রান আউটের বলি হয়ে ফেরেন সাজঘরে। এরপর সাব্বিরও আর ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ১৯তম ওভারে ৪৪ রানে খেলতে থাকা সাব্বিরকে বোল্ড করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এই দুজন ফিরলে হুইটলি ও ব্রেসনান মিলে শেষ দিকে দ্রুত গতিতে রান তুললে ৫ উইকেটে ১৭৩ রানে থামে সিলেট। ১১ বলে ১৭ রানে ব্যাট করছিলেন হুইটলি ও ৫ বলে তুলনামূলক ঝড়ো গতিতে ব্যাট চালিয়ে ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ব্রেসনান। ব্রেসনানের ইনিংসে ছিল ১টি ছয় ও ২টি চার। হুইটলির ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ১টি ছয়।
রংপুরের হয়ে ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে সফল ছিলেন নাজমুল ইসলাম। একটি নেন মাশরাফি। আর লঙ্কান টো ক্রাশার লাসিথ মালিঙ্গা ছিলেন আরও ব্যয়বহুল। ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়েছেন তিনি। ওয়াইডও ছিল ৪টি!
আজকের ম্যাচে তিনটি পরিবর্তন এনেছে রংপুর। বাদ পড়েছেন শাহরিয়ার নাফীস, থিসারা পেরেরা ও সোহাগ গাজী। ফিরেছেন সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, জিয়াউর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।
সিলেটের হয়ে ফিরেছেন পাকিস্তান থেকে যোগ দেওয়া সোহেল তানভীর, রস হুইটলি ও নাবিল সামাদ। বাদ পড়েছেন দানুশকা গুনাথিলাকা, গোলাম মোবাশ্বের খান ও তাইজুল ইসলাম।








