প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতলেই ফাইনাল। এমন ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৯১ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। ফলে ফাইনালে যেতে কুমিল্লার লক্ষ্য ১৯২ রান।
বড় সংগ্রহ করা ঢাকার শুরুটা হয়েছিল হোঁচট খেয়ে। ১১ রানে ফিরে যান ওপেনার মেহেদী মারুফ। প্রাথমিক এই ধাক্কা সামলে নেন ওপেনার এলভিন লুইস। ঝড়ো গতিতে রান তুলতে থাকেন। সমান তালে ব্যাট চালান জো ডেনলিও। এই জুটিতে ভর করে ৯ ওভারে ৮০ রান তুলে ফেলে ঢাকা।
ধীরে ধীরে লম্বা ইনিংসের পথে ছিলেন লুইস। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে ব্যাট করতে থাকা এই মারকুটে ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে বিদায় দেন শোয়েব মালিক। লুইসের ৩২ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছয়। এরপর কিয়েরন পোলার্ড নেমে আরও আগ্রাসী ভঙ্গিতে ব্যাট চালান। ১৮ বলে ৩১ রান তুলে ফেলেছিলেন। তার ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছয়। সেই পোলার্ডকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করলে ধাক্কা খায় ঢাকার স্বাভাবিক গতি।
পরের ওভারে দুর্ভাগ্যজনক রানআউট হয়ে ফিরে যান ৩২ রানে থাকা ডেনলি। তার ২৫ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও একটি ছয়। হঠাৎ স্লথ হয়ে যাওয়া রানের চাকায় প্রাণ ফেরান আজকের ম্যাচে ফেরা শহীদ আফ্রিদি। হাসান আলীর বলে ফেরার আগে ১৯ বলে তুলেন ৩০ রান। যাতে ছিল ৪টি ছয়! শেষ দিকে অপরাজিত ছিলেন সুনিল নারিন (৯) ও জহুরুল ইসলাম (৩)।
কুমিল্লার পক্ষে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন হাসান আলী। দুটি নেন ডোয়াইন ব্র্যাভো। একটি নেন শোয়েব মালিক।
আজকের ম্যাচে একটি পরিবর্তন আনে ঢাকা। শহীদ আফ্রিদি ফিরেছেন পেসার মোহাম্মদ আমিরের জায়গায়। কুমিল্লার হয়ে ফিরেছেন আইকন তামিম ইকবাল ও ডোয়াইন ব্র্যাভো। বাদ পড়েছেন গ্রায়েম ক্রেমার ও রাকিবুল হাসান।








