এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই গত বছর টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বড় স্কোরটা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ২৬৩ রান করে অসিরা। এবার সেই অসিদের মতো না হলেও একেবারে তাদের ধরেই ফেলেছিল ভারত। লঙ্কানদের বিপক্ষে ২৬০ রানের বিশাল পুঁজি গড়ে তাদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৮৮ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ভারত।
ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটেও দানব রূপে ছিলেন রোহিত শর্মা। অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির দ্রুততম সেঞ্চুরিটি করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ডেভিড মিলার। ৩৫ বলে করেছিলেন সেঞ্চুরি। এবার সেই সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও ছুঁয়ে ফেলেছেন ওয়ানডের একমাত্র তিন ডাবল সেঞ্চুরির মালিক রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ভারতীয় ওপেনার। তার ব্যাটে ভর করে ভারত সংগ্রহ করে ৫ উইকেটে ২৬০ রান!
রোহিত শর্মাকে ১১৮ রানে কৌশলে তালুবন্দি করান চামিরা। ততক্ষণে ৪৩ বলে ১২টি চার ও ১০টি ছক্কা লেখা হয়ে যায় তার নামের পাশে। রোহিতের আগ্রাসন থামলেও বাকি পথ সামলে নিয়েছেন লোকেশ রাহুল (৮৯) ও মহেন্দ্র সিং ধোনি (২৮)। তবে দুজনেই টিকতে পারেননি শেষ পর্যন্ত। রাহুলের ৪৯ বলের ইনিংসটাও কম আগ্রাসী ছিল না। তাতে ছিল ৫টি চার ও ৮টি ছয়। লঙ্কান বোলাররা রীতিমত ছিলেন অসহায়। সবাই রান দিয়েছেন গণহারে।
৪ ওভারে ৬১ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন নুয়ান প্রদীপ। সমান ওভারে ৪৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন থিসারা পেরেরা।
জবাবে খেলতে নেমে শুধু উপুল থারাঙ্গা ৪৭ ও কুশল পেরেরা ৭৭ রান তুলেন ঝড়ো গতিতে। থারাঙ্গা ২৯ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় এই রান তুলে সাজঘরে ফেরেন। অপরদিকে ৩৭ বলে ৪টি চার ও ৭টি ছয়ে ৭৭ রানে ফেরেন পেরেরা। তাদের এই ইনিংসও জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। কারণ পরের ব্যাটসম্যানরা ছিলেন শুধু আসা-যাওয়ার মিছিলে। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস চোট পেয়ে না নামায় ১৭.২ ওভারে ১৭২ রানেই শেষ হয় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ম্যাচসেরা হন দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান রোহিত শর্মা।








