বাংলাদেশ দলে এখন নতুনের আবাহন! ছয় জন নবাগতকে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের দলে নিয়েছে টাইগাররা। তাদের মধ্যে চার জনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হলো আজ। আরিফুল হক, আফিফ হোসেন, জাকির হাসান আর নাজমুল হোসেন অপুর জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
তামিম ইকবালের হঠাৎ ইনজুরি ভাগ্য খুলে দিয়েছে তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান জাকিরের। ২০১৬ যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ভালো খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কঠিন চৌকাঠে পা রাখা জাকিরের মাথায় টি-টোয়েন্টি ক্যাপ পরিয়ে দিলেন মুশফিকুর রহিম, আর তখনই দীর্ঘ দিনের আক্ষেপ দূর হলো সিলেটবাসীর। সর্বশেষ ‘সিলেটি’ ক্রিকেটার হিসেবে অলক কাপালী জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ২০১১ সালের ডিসেম্বরে, পাকিস্তানের বিপক্ষে। ছোটখাটো গড়নের জাকির গত বিপিএলে রাজশাহী কিংসের হয়ে ৮ ম্যাচে করেছিলেন ১৬৯ রান। ক্যারিয়ারে ১৮টি টি-টোয়েন্টির ১৩ ইনিংসে ব্যাট করে তার রান ২০১।
নিউজিল্যান্ডে সদ্যসমাপ্ত যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক আফিফ আরেক উদীয়মান ক্রিকেটার। ১৮ বছর বয়সী আফিফ যুব বিশ্বকাপে চারটি হাফসেঞ্চুরি সহ ২৭৬ রান করেছেন। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তার নাম ছিল আট নম্বরে। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফব্রেক বোলিংয়েও তিনি দক্ষ।
তামিম ইকবালের হাত থেকে টি-টোয়েন্টি ক্যাপ পাওয়া আফিফ ২০১৬ সালে বিপিএলে অভিষেক ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। গতবার রাজশাহী কিংসে খেললেও এবার ছিলেন খুলনা টাইটানসে। টি-টোয়েন্টিতে তার পারফরম্যান্স ভালোই, বিশেষ করে বল হাতে। ১১টি টি-টোয়েন্টি খেলে ১২৫ রান করার পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন ১১টি।
বিপিএলে খুলনা টাইটানসের হয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে আলোচনায় উঠে আসা আরিফুলের মাথায় ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। এবারের বিপিএলে দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করার পথে ১২ ম্যাচে ২৯.৬২ গড়ে ২৩৭ রান করেছিলেন তিনি। ২০ ওভারের ক্রিকেটে আরিফুলের পারফরম্যান্সও ভালো। ৪৪ ম্যাচ খেলে রান করেছেন ৫৮৪, আর উইকেট নিয়েছেন ৯৪টি।
বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপুও বিপিএলের ‘আবিষ্কার’। প্রথম টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে টি-টোয়েন্টি ক্যাপ পাওয়া নাজমুল বিপিএলের পঞ্চম আসরে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ১০ ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন। ৫০টি টি-টোয়েন্টি খেলে তার শিকার ৩৭ উইকেট।








