পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারিয়েই বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মাঝখানে মুশফিক ও লিটন মিলে কিছুটা চেষ্টা করলেও বিপদ আর সামলাতে পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়াতে ৭৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে বাংলাদেশ শিবির।
শুরুতে ভারতের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই জীবন পান সৌম্য সরকার। উনাদকাটের বলে টপ এজে থার্ড ম্যানে বল উঠিয়ে দিয়েছিলেন সৌম্য। কিন্তু ভুল বোঝাবুঝিতে ক্যাচ লুফে নিতে পারেনি ভারত।
এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু বড় শট খেলেছেন বাঁহাতি ওপেনার। কিন্তু তৃতীয় ওভারে তাকে তালুবন্দি করে নেন পেসার উনাদকাট। ১২ বলে ১৪ রানে শর্ট ফাইনে চাহালকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
পঞ্চম ওভারে তামিমও ফিরে যেতে পারতেন এলবিডাব্লিউ হয়ে। শারদুল ঠাকুরের বলে লেগ বিফোরে আঙুল উঁচিয়েছিলেন আম্পায়ার। কিন্তু রিভিউ নিলে বেঁচে যান বাঁহাতি ওপেনার। পরের দুই বলে অবশ্য চার মেরেও থিতু হতে পারেননি। ওভারের শেষ বলে উনাদকাটের তালুবন্দি হয়ে যান তামিম ইকবাল। ১৬ বলের ইনিংসে তামিম করেন ১৫ রান।
২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শটস খেলে রানের চাকা সচল রাখেন মুশফিক ও লিটন। দুই প্রান্ত থেকে লিটন ও মুশফিক মিলে শট খেলে রানের গতি বাড়াতে থাকেন। এর মাঝে অবশ্য বেশ কিছু জীবন পান লিটন দাস। নবম ওভারে ফের ধস নামে ব্যাটিংয়ে। মুশফিকুর রহিমকে গ্লাভসবন্দি করান শংকর। অবশ্য শুরুতে একে আউট দেননি আম্পায়ার। ভারত রিভিউ নিলে দেখা যায় বল মুশফিকের ব্যাটে লেগেই জমা পড়েছে উইকেটরক্ষকের হাতে। মুশফিক ফিরেছেন ১৪ বলে ১৮ রানে।
চাপ আরও বাড়িয়ে দেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১তম ওভারে ফিরে গেলে।মাত্র ১ রানে শংকরের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১১ ওভারে ৭২ রান। ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও সাব্বির রহমান।
এর আগে কলম্বোয় টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতে হেরে শুরু করা ভারত অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে। অপর দিকে বাংলাদেশ ৬ জন ব্যাটসম্যান ও ৫ বোলার নিয়ে মাঠে নেমেছে।








