মোহাম্মদ আশরাফুলের পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্বিতীয় দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জয়ে ভূমিকা রেখেছেন লিটন দাস। বারুদ ঠাসা ব্যাটসম্যান বলেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। এমন জয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
লিটন পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে জয়ের পর অনুভূতি জানালেন এভাবেই, ‘এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য বড় জয়। ওরা অনেক ভালো দল, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।’
সোমবার ফ্লোরিডার লডারহিলে লিটনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের জন্য বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। লিটন হাফসেঞ্চুরি স্পর্শ করেন ২৪ বলে। ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই মোহাম্মদ আশরাফুলের ২০ বলে হাফসেঞ্চুরির পর টি-টোয়েন্টিতে এটি বাংলাদেশের দ্রুততম ফিফটি। তাইতো ম্যাচ সেরার পুরস্কারের পাশাপাশি দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি তোলার পুরস্কারও জুটেছে লিটনের ভাগ্যে।
২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষক হওয়া লিটন খেলেছেন ১৫টি টি-টোয়েন্টি। বাকি ম্যাচগুলোতে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। অবশেষে ১৫তম ম্যাচে জ্বলে উঠে দেখা পেলেন দারুণ এক হাফসেঞ্চুরির। মাত্র ২৪ বলে করেন ৫০ রান। মাত্র ৩২ বল খেলে আউট হওয়ার আগে করেছেন ৬১ রান। আগের ১৪ টি-টোয়েন্টিতে লিটনের সর্বোচ্চ রান ছিল ৪৩! ফ্লোরিডার পিচ লিটনকে সহায়তা করেছে বলেই আগের সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি, ‘পিচ আমাদের দেশের মতো। তাই সহজে পরিকল্পনা করতে পেরেছি। এটা আমার প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। অনেক দিন ধরেই রান করতে পারছিলাম না। রান করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’








