টেন্টব্রিজে জয় পেতে এক উইকেট প্রয়োজন ছিল ভারতের। ৫২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ৯ উইকেটে ৩১১। আগের দিন পুরোপুরি লেজ ছেঁটে ফেলতে না পারলেও এদিন বেশি অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। তৃতীয় ওভারেই জেমস অ্যান্ডারসনকে ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ইংল্যান্ড ৩১৭ রানে অলআউট হলে ভারত জয় পায় ২০৩ রানের বিশাল ব্যবধানে।
আগের দিন ৯ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শেষ দিন অতিপ্রাকৃত কিছু করার সাহস দেখাতে পারেনি ইংলিশরা। মাত্র ১৭ বল খেলে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইংনিংস। শেষ বলটি অবশ্য প্রত্যাশার বাইরে লাফ দিয়েছিল। ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারেননি জেমস অ্যান্ডারসন। টপ এজ হয়ে জমা পড়েছেন রাহানের হাতে। অপরপ্রান্তে অবশ্য ৩৩ রানে ক্রিজে ছিলেন প্রায় সেট ব্যাটসম্যান আদিল রশিদ।
আগের দুই টেস্টে হারের পর তৃতীয় টেস্ট জিতে সিরিজ বাঁচানোর রসদ হাতে পেলো বিরাট কোহলি বাহিনী। ইংল্যান্ডের মাটিতে এর আগে ভারত টেস্ট জিতেছে মাত্র ৬টি! হারের পরিসংখ্যান অবশ্য অস্বস্তিদায়ক- হার ৩২টিতে। তাই ইংলিশদের মাটিতে ভারতের এটি সপ্তম জয়। একই সঙ্গে এই জয়ে নেতৃত্ব দিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির পর টেস্টে দ্বিতীয় সফল অধিনায়ক হিসেবে নাম লিখিয়েছেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও পেয়েছেন এই টেস্টে সেঞ্চুরি করা ভারতীয় অধিনায়ক।








