বিপিএলে ঢাকা পর্বে এই চিটাগং ভাইকিংসকে বড় লক্ষ্য দিয়েও জয়ের দেখা পায়নি রাজশাহী কিংস। এবার চট্টগ্রামে এসে রানের পাহাড় গড়ে জয় তুলে নিয়েছে মিরাজের দল। ১৯৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৮ উইকেটে ১৯১ রান করতে পেরেছে চিটাগং। তাতে দুই ম্যাচ পর ৭ রানের জয় পেলো রাজশাহী কিংস।
কিংসের জয়ের ফলে সেরা চারের লড়াইটা এখন জমে উঠেছে। ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে চিটাগং। ঢাকা ও কুমিল্লার ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট, রংপুরেরও ৯ ম্যাচে সংগ্রহ সমান। আজকে জিতে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে রাজশাহী কিংসও। তলানীতে থাকা সিলেটের সংগ্রহ ১০ ম্যাচে ৮, খুলনার সংগ্রহ ১০ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট।
আজকে জয় পেতে হলে এবারের আসরে রেকর্ড রান তাড়া করে জিততে হতো চিটাগং ভাইকিংসকে। এক পর্যায়ে ওপেনার শেহজাদের ঝড়ো ২২ বলে করা ৪৯ আর ইয়াসির আলীর ৩৮ বলে ৫৮ রানে জয়ের মঞ্চটা তৈরি হয়ে গিয়েছিলো চিটাগংয়ের। এই দুই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর পরের ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলে ৮ উইকেটে ১৯১ রানে থামতে হয়েছে চিটাগংকে।
শেষ দিকে সিকান্দার রাজা ১৫ বলে ২৯ রান করে ম্যাচটা জয়ের কাছে নিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ ওভারে খেই হারায় চিটাগং। ৬ বলে প্রয়োজন ছিলো ১৩ রান। এই ওভারেই মিনি ঝড় তোলা সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। তার ওভারে চিটাগং তুলতে পারে মাত্র ৫ রান!
ডেথ ওভারে দারুণ বল করা মোস্তাফিজ ২৮ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যাচসেরা। দুটি করে নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি, মেহেদী হাসান। একটি নেন আরাফাত সানি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান করে রাজশাহী কিংস। ঢাকায় এই রাজশাহীর বিপক্ষে টস জিতে বোলিং নিয়েও জয় পেয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। তবে চট্টগ্রামে তারা একই কৌশলের পথে হাটলেও তা কাজে আসেনি চিটাগংয়ের। তাণ্ডব চালিয়েছেন রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা।
ওপেনার চার্লসের করা ৪৩ বলে ৫৫ রানের পর রান পাহাড় গড়তে ঝড় তুলে খেলেছেন রায়ান টেন ডেসকাটে। ১২ বলে ৪ ছক্কায় করেন ২৭ রান। তার বিদায়ের পর শেষ দিকে মিনি ঝড় তোলেন জোনকার। ১৭ বলে ৩টি ছক্কা আর একটি চারে করেন ৩৭ রান। ছোট ছোট এই ঝড়ো ইনিংসেই রাজশাহী ৫ উইকেটে তোলে ১৯৮ রান।








