নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের উইকেট নিয়ে ভাবতেই হচ্ছে বাংলাদেশকে। ওভালে ঘাসের উইকেটে খেলবে মাশরাফিরা। ম্যাচের আগের দিন উইকেটের চিত্র দেখে এমনটাই মনে হয়েছে। যদিও ম্যাচের দিন সকালে কিছু ঘাস হয়তো কাটা হতে পারে!
তবে সুইং নির্ভর করতে উইকটটিকে পুরোপুরি ন্যাড়া করে ফেলা হয়তো হবে না। ফলে এমন সবুজ চত্ত্বরে কিউই পেসারদের সামনে কঠিন পরীক্ষায় বসতে হবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। শেষ পর্যন্ত ওভালে উইকেটের কী অবস্থা হয়, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
তার ওপর মঙ্গলবার সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি লন্ডনে। সেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে অনুশীলনে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। সাতটার দিকে বৃষ্টি কমলে উইকেটের দেখা পাওয়া যায়। বৃষ্টি না কমলে হয়তো সেই সুযোগও পেত না বাংলাদেশ। কাভার সরাতেই সবুজ উইকেটের দেখা মিললো। সবার আগে উইকেট দেখতে ছুটে এলেন সাকিব। এমন ঘাসযুক্ত উইকেট দেখে নিশ্চিত ভাবেই সাকিবের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফুটে ওঠেছিলো!
নিউজিল্যান্ডের বোলারদের বিপক্ষে এমনিতেই নড়বড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। সর্বশেষ সিরিজেও কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে বাংলাদেশের সব ব্যাটসম্যানকে। কিউই সব পেসারাই স্কিলফুল। সঙ্গে তাদের সুইং নির্ভর ফণা তোলা বোলিংতো আছেই। তাই কিউই পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের মঞ্চে কেমন করে বাংলাদেশ-সেটাই এখন চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সৌম্য অবশ্য কিউই পেসারদের বিপক্ষে খেলার কৌশল জানালেন, ‘নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনের মতো একই রকম হবে, সে রকম কিছু বলার সুযোগ নেই। আবার দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে যেমন উইকেটে খেলেছি, সেটা নাও থাকতে পারে। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের গতির সঙ্গে সুইংও আছে। আমাদেরকে সেভাবেই পরিকল্পনা করে খেলতে হবে। পরিস্থিতি, গতি ও সুইং দেখে খেলতে হবে। উইকেটের দিকেও খেয়াল করতে হবে।’
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের একাদশে তিনজন পেস বোলার খেলেছেন। তিনশোর্ধ্ব ইনিংসে সবাই কম বেশি সাফল্য পেয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভালো করেছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। তিনি ৬৭ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। সাইফউদ্দিন নিয়েছেন ৫৭ রানে দুটি উইকেট। অধিনায়ক মাশরাফি অবশ্য বেশ খরুচে বোলিং করেছেন। বুধবার সকালে উইকেটে সবুজের আস্তরণ বেশি থাকলেও বাংলাদেশকে আরেকজন বাড়তি পেসার নিয়ে মাঠে দেখা যেতে পারে। সেক্ষত্রে রুবেল হোসেন হবেন প্রথম পছন্দ।








