বিশ্বকাপের শেষভাগে এসে প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে টস জিতে ব্যাটিং। শেষভাগে উইকেট স্লো হওয়াতে ব্যাটে-বলে সংযোগটা ঠিকমতো হচ্ছে না। সেই ধারাতেই কিনা ওয়েস্ট ইন্ডিজও তাদের শেষ ম্যাচটায় টস জিতে নিলো ব্যাটিং। আফগানিস্তানকে ৩১২ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়ে শুরুতে চাপে রাখার কৌশলে সফল ক্যারিবীয়রা। ৬ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ৩১১ রান।
বিশ্বকাপের শুরুটা দারুণ হলেও ধীরে ধীরে নিজেদের ছায়া হয়ে খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে তিনটি ম্যাচে প্রায় জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল, কিন্তু শেষটায় ছিল ব্যর্থতা। সঙ্গে সঙ্গে শেষ চারের সম্ভাবনাও হয়ে গেছে শেষ। তাই সান্ত্বনার জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করতে মুখিয়ে হোল্ডারের দল।
ব্যাটিংয়ের শুরুটা অবশ্য হোঁচট খেয়ে শুরু ক্যারিবীয়দের। বিশ্বকাপের পর অবসরের ঘোষণা দেওয়া আছে ক্রিস গেইলের। অথচ ইউনিভার্স বস থাকলেন বাক্সবন্দী হয়েই। দলীয় ২১ রানে বিলাসী শট খেলতে গিয়ে ফিরেছেন ৭ রানে। দাওলাত জাদরানের বলে ফেরার পর সেই ধাক্কা সামলে উঠেন এভিন লুইস ও শাই হোপ জুটি।
৮৮ রানের অসাধারণ এই জুটি ভেঙে দিয়েছিলেন লেগ স্পিনার রশিদ খান। ৫৮ রান করা লুইস বিদায় নেন নবীকে ক্যাচ দিয়ে। তাতেও ক্যারিবীয়দের চেপে ধরা যায়নি। হোপ অবশ্য আরও কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। নতুন নামা হেটমায়ারের সঙ্গে ছোট জুটি গড়ে হুমকি হয়ে উঠলে এই জুটি ভেঙে দেন দাওলাত জাদরান। ৩৯ রানে বিদায় নিতে হয় তখন হেটমায়ারকে।
ততক্ষণে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে আরও বড় স্কোরের তাড়া পেয়ে বসে তাদের। তখন বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে হোপকে ৭৭ রানে বিদায় দেন নবী। ৯২ বলে ৭৭ রানে থামেন হোপ।
পরে স্কোরটাকে আরও সমৃদ্ধ করেন অধিনায়ক হোল্ডার ৪টি ছক্কায় ৪৫ রান করে। নিকোলাস পুরানও ছিলেন একই ভূমিকায়। ৪৩ বলে বিদায় নেওয়ার আগে করেন ৫৮ রান। শেষ ওভারে ব্র্যাথওয়েটের মিনি ঝড়ে ৪ বলে করা ১৪ রানে স্কোর ছাড়ায় ৩০০। তাতে তারা পায় ৬ উইকেটে ৩১১ রানের পুঁজি।
৭৩ রানে দুই উইকেট নেন দাওলাত জাদরান। একটি করে নেন মোহাম্মদ নবী, শিরজাদ ও রশিদ খান।








