আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে নেমেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টের চতুর্থ দিন ৩৯৮ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৪০ রান।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরুতে দুই ঘণ্টার বেশি খেলা বন্ধ ছিল বৃষ্টিতে। প্রথম সেশনের পরে ফের বৃষ্টি নামলে দেরি করে শুরু হয় দ্বিতীয় সেশনের খেলা। তবে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। সেশনের দ্বিতীয় ওভারে জহির খানের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন লিটন দাস। বড় ইনিংস উপহার না দিয়ে ৯ রানে ফেরেন তিনি। অবশ্য আগের বলেই রিভিউ নিয়ে বেঁচেছিলেন। আম্পায়ার আফগানদের কট বিহাইন্ডের আবেদনে সাড়া দিলে রিভিউ নেন লিটন। তাতে সফল ছিলেন তিনি।
ওপেনিংয়ের মতো ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বামহাতি-ডানহাতি কম্বিনেশন মেলাতে লিটন দাসকে নামানোর পর এবার নেমেছেন মোসাদ্দেক। সাদমানের সঙ্গী হয়েছেন তিনি। সাদমান ব্যাট করছেন ২৬ রানে, আর মোসাদ্দেক ৫ রানে।
তার আগে অবশ্য লিটন-সাদমানে প্রথম সেশনটা ভালো গেছে বাংলাদেশের। বিনা উইকেটে সংগ্রহ ছিল ৩০। সকালের প্রথম সেশনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯৭ রানের লিড পেয়ে আফগানিস্তান গুটিয়ে যায় ২৬০ রানে।
তবে এই টেস্ট জিততে অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি এখন বাংলাদেশ। রান তাড়া করে জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে স্বাগতিকদের। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে তাদের। তাই এই টেস্ট জিততে হলে নিজেদের পুরনো রেকর্ডকে পেছনে ফেলে গড়তে হবে নতুন রেকর্ড।
আবার সার্বিকভাবে টেস্টে এত বিশাল রান তাড়া করে জেতার নজিরও খুব বিরল। সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০০২-০৩ সালে। ১৯৪৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪০৪ রান তাড়া করে এই রেকর্ডের তালিকায় পরেই আছে অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় অবস্থানে ভারত। তারা ১৯৭৫-৭৬ সালে ৪০৩ রান তাড়া করে জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।








