চট্টগ্রাম টেস্ট জয়ের দ্বারপ্রান্তে আফগানিস্তান! বাংলাদেশের মাত্র চার উইকেট নিতে পারলেই জয়ের আনন্দে মাতবে আফগানরা। কিন্তু বেরসিক বৃষ্টি আফগানিস্তানের সেই জয় বিলম্বিত করছে। রবিবার বিকাল থেকেই চট্টগ্রামের আকাশে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ছিল। বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিনের প্রায় চার ঘণ্টা খেলা হয়নি। ৫টা ৪০ পর্যন্ত খেলা হওয়ার কথা থাকলেও অনেক আগেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দুই দলকে।
সোমবার ম্যাচের পঞ্চম দিনেও একই অবস্থা। এই বৃষ্টির আশীর্বাদ নিয়ে ম্যাচটিতে হার এড়াতে চাইছিলেন সাকিব আল হাসান। সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে এই বৃষ্টিতে মাথা খারাপ হওয়ার অবস্থা রশিদ খানদের। অবশ্য এই মুহূর্তে তাদের সময়টা অপেক্ষায় কাটছে। কখন মাঠে গড়াবে বল!
নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ দল মাঠে না এলেও আফগানিস্তান ঠিকই চলে এসেছে। এসেই কয়েক দফা ছাতা মাথায় ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে এসেছেন। অস্বস্তি ভরা চোখে আকাশের দিকে তাকিয়েছেন। ছটফট করতে থাকা রশিদ খান যেন বলছিলেন, ‘বৃষ্টি তুমি চলে যাও, এমন সুযোগটি হেলায় হারাতে চাই না আমরা!’
আফগানিস্তান দলের স্যোশাল মিডিয়া ম্যানেজার সৈয়দ হযরত সাদাতের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল পরিস্থিতি নিয়ে। তিনি মাঠের এদিক-ওদিক ছটফট করছিলেন। এমন বেরসিক বৃষ্টি কতটা হতাশার এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর, ‘খুবই হতাশার। ম্যাচটা জেতার দ্বারপ্রান্তে আছি আমরা। একটা সেশন হলেই আমাদের চলতো।’
রশিদকে ছটফট করতে দেখে সাদাতের কাছে জানতে চাওয়া হলো এই মুহূর্তে রশিদ খান কি ভাবছেন, ‘রশিদ ভীষণ হতাশ। ও খুব আক্রমণাত্মক ক্রিকেটার। জয়ের খুব কাছে আসার পর বৃষ্টি হওয়ায় ও অস্থির হয়ে গেছে। রশিদ বলছিল, আমাদের জন্য এক ঘণ্টা হলেই যথেষ্ট। তাহলেই ম্যাচ জিততে পারবো আমরা।’
গত চার দিনে ম্যাচের যা অবস্থা ভুল বলেননি রশিদ খান। বাংলাদশের ব্যাটসম্যানরা তাদের স্পিনারদের খেলতেই পারেনি। হয়তো এই কারণে আশাবাদী রশিদ খান। তবে বাংলাদেশের জন্য ভাগ্য খারাপ হলেও আফগানিস্তানের জন্য সুখবর। মাঠ খেলার উপযুক্ত করার চেষ্টা চলছে। এই মুহূর্তে চট্টগ্রামের আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বৃষ্টি নেই। রোদের লুকোচুরি খেলা চলছে। সবমিলিয়ে তাই দিনের খেলা মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনাটাই বেশি।








