পাঁচদিনের টেস্টকে ৪ দিনে করার পরিকল্পনায় বিভক্ত ক্রিকেট বিশ্ব। সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকেই এর সমালোচনায় মুখর। ইয়ান বোথাম থেকে শুরু করে শচীন টেন্ডুলকারের মতো কিংবদন্তিরা এই পরিকল্পনার বিরোধী। সর্বশেষ তাদের দলে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী। তার দৃষ্টিতে আইসিসির এই পরিকল্পনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামান্তর, যার কোনো মানে হয় না, ‘ননসেন্স’। এও বলেছেন, পরিবর্তন যদি আনতেই হয়, তাহলে শীর্ষ ৬ দলকে এই পরীক্ষার বাইরে রাখা উচিত। তিনি চান চারদিনের টেস্ট খেলবে নিচের সারির বাকি ৬ দল!
সিএনএন নিউজ-১৮ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, ‘চারদিনের টেস্ট আসলে ননসেন্স। যদি এমনটি হয়ই, তাহলে টেস্ট হয়ে যাবে সংক্ষিপ্ত ওভারের। পাঁচদিনের টেস্টে কোনো পরিবর্তন আনার প্রয়োজন নেই।’
টেস্টের ঐতিহ্যরক্ষায় রবি শাস্ত্রী আবার ভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। কী সেই পরিকল্পনা? শুনুন তার মুখেই, ‘যদি পাঁচদিনের টেস্টে পরিবর্তন আনতেই হয়, তাহলে শীর্ষ ৬ দলকে পাঁচদিনের টেস্ট খেলতে দেওয়া উচিত। বাকি ৬ দলকে খেলতে দেওয়া উচিত চারদিনের টেস্ট। টেস্টকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শীর্ষ ৬ দলকে একে অন্যের সঙ্গে আরও বেশি টেস্ট খেলতে দেওয়া উচিত। কারণ খেলাটির জনপ্রিয়তা বাড়াতে সংক্ষিপ্ত সংস্করণ তো রয়েছেই ।’
শাস্ত্রী অবশ্য দিবা-রাত্রির টেস্ট নিয়েও সন্তুষ্ট নন। এখন পর্যন্ত এই টেস্ট হয়েছে মোট ১৫টি (ছেলেদের ১৪, মেয়েদের একটি)। তিনি মনে করেন গোলাপি বলের এই টেস্ট এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। আইসিসিকে এই সংস্করণের সঠিক বলটি বেছে নিতে বলছেন তিনি, ‘দিবা-রাত্রির টেস্টও পরীক্ষার পর্যায়ে আছে। আমি এখনও মনে করি, গোলাপি বল আসলে স্পিনারদের কোনো সুবিধা দেয় না। তাদের দিবা-রাত্রির টেস্টের জন্য সঠিক বলটি বেছে নেওয়া উচিত। দিনের বেলায় মনে হয় এটা পরিপূর্ণ টেস্ট আর রাতের বেলায় অর্ধেক টেস্ট।’
টেস্ট ক্রিকেটে দর্শক টানতে শাস্ত্রীর পরামর্শ, ‘আমি এখনও মনে করি, শীর্ষ ৬টি দেশ যদি আরও বেশি একে অপরের সঙ্গে টেস্ট খেলে, তাহলে আরও বেশি লোক টেস্ট দেখতে আসবে।’








