এটাই কি নতুন দক্ষিণ আফ্রিকা? সিরিজের ভাগ্য শেষ পর্যন্ত কোন দিকে হেলবে, সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কিন্তু তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেই যা করে দেখালো প্রোটিয়ারা, তাতে নতুন রূপটাই দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশ্বকাপে ব্যর্থ হলেও ওয়ানডে সিরিজটা আধিপত্য বিস্তার করে শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ওয়ানডেতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে!
কেপ টাউনে টস হেরে ব্যাট করা ইংল্যান্ডের শুরুটাও খারাপ ছিল না। উদ্বোধনী জুটিতে যোগ হয়েছে ৫১ রান। দলীয় এই স্কোরে জেসন রয় (৩২) ফেরার পরই টপ অর্ডারে নেমে যায় ধস। একটা সময় স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৩১ রান। মিডল অর্ডারে জো ডেনলি ৮৭ রানের লড়াকু এক ইনিংস উপহার দিলে লড়াই করার পুঁজি পায় সফরকারীরা। ডেনলির পর ৪০ রান আসে ক্রিস ওকসের ব্যাট থেকে। ৯১ রানের জুটি গড়ে দলের বিপদ সামলেছেন এ দুজনই। তাদের বিদায়ের পর ইংলিশরা শেষ পর্যন্ত করতে পেরেছ ৮ উইকেটে ২৫৮ রান।
প্রোটিয়াদের হয়ে ৩৮ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন তাবরাইজ শামসি। একটি করে নিয়েছেন বিউরান হেন্ড্রিকস, জন জন স্মাটস ও আন্দিলে ফিকেয়াও।
এই রান তাড়ায় দলকে এগিয়ে নিয়েছেন কুইন্টন ডি ককই। শুধু নামেই যে তিনি অধিনায়ক হতে আসেননি, তার প্রমাণ দিয়েছ্নে ১৫তম সেঞ্চুরি তুলে।
২৫ রানে ওকসের বলে রিজা হেনড্রিকস ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ওপেনার ডি কক জুটি গড়ে এনে দিয়েছেন জয়ের ভিত। ১০৭ রানে রুটের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন তিনি। সঙ্গী তেম্বা বাভুমা অবশ্য ২ রানের আক্ষেপে পুড়েছেন। দলকে জয়ের মঞ্চে তুলে দিয়ে ৯৮ রানে ফিরেছেন ক্রিস জর্ডানের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে।
এর আগে এই দুই ব্যাটসম্যান উপহার দিয়েছেন ১৭৩ রানের অসাধারণ একটি জুটি। এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে যাওয়ার পর ৪৭.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন রাসি ফন ডার ডুসেন (৩৮) ও স্মাটস (৭)। এই জয়ে আরেকটি রেকর্ডও গড়েছে স্বাগতিকরা। এর আগে এই মাঠে ২৫৮ রানের বেশি তাড়া করে জেতেনি কোনও দল। ম্যাচসেরা প্রোটিয়া অধিনায়ক কুইন্টন ডি কক।








