বড় ইনিংসের দেখাই পাচ্ছিলেন না তামিম ইকবাল। সর্বশেষ ইনিংসগুলোতে তার স্কোর- ৮, ০, ১৯,২,২৪। সঙ্গে স্ট্রাইক রেট নিয়েও ছিল সমালোচনা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এক সেঞ্চুরিতে দুটি অতৃপ্তি পূরণ করেছেন তিনি। ২৩ ইনিংস পর দেখা পেয়েছেন ১২তম সেঞ্চুরি। তার ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ৪৪.১ ওভারে ৪ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ২৭৯ রান।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুরুটা ভালো হতো যদি উদ্বোধনী জুটি আরও স্থায়ী হতো। দুর্ভাগ্যের শিকার লিটন রান আউট হয়েছেন অদ্ভূতভাবে। ৬.৩ ওভারে নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। তখন তামিমের খেলা শটই বিপদ ডেকে আনে তার! বলটি বোলার মাম্বার হাতে লেগে আঘাত হানে স্টাম্পে। লিটন ফিরেছেন ৯ রান করে।
বেশ কিছুদিন ধরে তামিম ইকবালের স্ট্রাইক রেট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। প্রথম ওয়ানডেতেও একই ধারায় ব্যাট করেছেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অবশ্য খোলস ছেড়ে বের হয়ে এসেছেন বাঁহাতি ওপেনার। আগ্রাসী মনোভাবে খেলে এগিয়ে নিচ্ছেন দলকে। তার আগ্রাসী মনোভাবে প্রথম পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে আসে ৬৫ রান।
পরের রান আউটটি ছিল ভুল বোঝাবুঝি। স্ট্রাইকে থাকা নাজমুল হোসেন রান নিতে চাননি শুরুতে। তামিম দৌড় দিলে নাজমুল হোসেন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে বিলম্ব করে ফেলেন। রান আউটে নাজমুল ফেরেন ৬ রানে।
দ্রুত এই দুই রান আউটে অস্বস্তি বিরাজ করছিল স্বাগতিকদের। তামিম সেই পরিস্থিতি সামলেছেন মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৮৭ রানের জুটি গড়ে। মুশফিক তুলে নেন ৩৮তম হাফসেঞ্চুরি। জুটি আরও বড় হওয়ার আগে সফট ডিসমিসালে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। মুশফিকের ৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার। তবে অপরপ্রান্ত ঠিকই আগলে খেলেছেন তামিম। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গী করে এগিয়ে নেন রানের চাকা। ৪১ রানে মাহমুদউল্লাহ ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ভাঙে ১০৬ রানের বড় জুটি। তামিম ব্যাট করছেন ১৪৮ রানে।








