জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুশফিকুর রহিমকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। অবশ্য তাকে বিশ্রাম দেওয়ার পেছনে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন যুক্তি দিয়েছেন, পাকিস্তান সফরের দল সাজাতেই এক প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে শেষ ম্যাচে। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা মনে করেন এমন সিদ্ধান্ত কৌশলগত। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে একটা সুস্থধারা থাকা উচিত।
কাল শুক্রবার অধিনায়ক হিসেবে শেষ ওয়ানডে মাশরাফির। মুশফিককে বিশ্রাম দেওয়া প্রসঙ্গে মাশরাফি বিষয়টি দেখছেন এভাবে, ‘এগুলো ছোটোখাটো কৌশলগত সিদ্ধান্ত। এসব আসলে অধিনায়কও দিতে পারে না। আবার সে পারফর্ম করে আসছে ১২-১৩ বছর ধরে। চার নম্বরেও সেরা ব্যাটসম্যান। যদি সবকিছু বিবেচনায় আনেন, তাহলে সে যাতে নির্দিষ্টসময় পর্যন্ত মানসিকভাবে চাপের মধ্যে না থাকে সে বিষয়েও খেয়াল রাখা উচিত বলে আমি করি।’
পাকিস্তান সফরের ওয়ানডে ম্যাচটি হবে এক মাস পরে। এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে সুস্থ একটা ধারা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন মাশরাফি, ‘আসলে বিষয়টা এমন না যে দুই বছর পর পর কোচ আনলাম, তার মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সে চলে গেলো। সঙ্গে এটাও ভাবতে হবে, এই খেলোয়াড়েরাই দেশকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে। কেউ এসে যদি পরীক্ষা করতে-ই চায়, তাতে যদি বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতি হয়, তাহলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা উচিত। যদি এ নিয়ে কোনও সন্দেহ থাকে, তাহলে অবশ্যই তা থামানো উচিত।’
নতুন কোচের পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে মাশরাফির মন্তব্য, ‘একটা কোচ যখন নতুন আসে, সে তার পরীক্ষা করে। আমাদের তার প্রতি একটা ধারণা থাকা উচিত। আবার তাকেও ধারণা দেওয়া উচিত। ধরেন মুশফিককে কীভাবে সামলাবেন? এখন মুশফিককে নিয়ে যদি জোকিংয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে চলে যান, তাহলে কী আমাদের অ্যাসেট (সম্পদ) নিয়ে নাড়াচাড়া করছি না। মুশফিক কতদিন আর খেলবে? এটাও পেশাদারির বিষয়। ওটাও ওর সাথে আলোচনা করতে হবে।’








