করোনাভাইরাসের প্রভাবে একের পর এক ক্রীড়া ইভেন্ট স্থগিতের মিছিলে যোগ হলো বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজও। আগামী ৮ মে আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের।
সফরে দুই দলের খেলার কথা ছিল ৩টি ওয়ানডে ও ৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ওয়ানডে সিরিজটা আয়ারল্যান্ডে হওয়ার কথা থাকলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজের ভেন্যু ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ইংল্যান্ডে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সফরটাই স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালের মে মাসে বেলফাস্ট ও ইংল্যান্ডে দুই দলের মধ্যকার সাত ম্যাচের সিরিজিটি দুই বোর্ড ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্মতিতে স্থগিত করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, ক্রীড়া ইভেন্ট এবং গণজমায়েত নিষিদ্ধ। আইরিশ সরকারের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য সরকারের পরামর্শ মেনে মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের সময়কালে কোনভাবেই সিরিজ আয়োজন সম্ভব নয়।
ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন ডিউট্রাম বলেছেন, ‘করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কোনভাবেই সিরিজটি যথাসময়ে আয়োজন সম্ভব নয়। আমাদের ঝুঁকি দিন দিনই বাড়ছে। খেলোয়াড়, কোচ, সমর্থকদের মঙ্গলের কথা আমাদের চিন্তা করতে হবে। ফলে আগামী কয়েক মাস আমরা কোনও কার্যক্রমে যাবো না। আমাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত সুস্থ থাকা।’
কবে নাগাদ সিরিজ হতে পারে, এ ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু না বললেও ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবো। সেই সঙ্গে আইসিসি, জনস্বাস্থ্য সংস্থাসহ আমাদের অংশীজনদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করবো। অবস্থার উন্নতি হলেই আমরা এ সিরিজ নিয়ে নতুন তথ্য জানাতে পারবো।’
বিসিবিকে ধন্যবাদ দিয়ে আইরিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তে নিতে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা দুই বোর্ড মিলে আরও ভালো পরিকল্পনা করতে পারবো এবং স্থগিত হওয়া সিরিজটির নতুন সূচি ঘোষণা করতে পারবো।’
আগামী দুই মাসের সব আন্তর্জাতিক সিরিজই এরই মধ্যে স্থগিত হয়ে গেছে। ঘরোয়া ক্রিকেটেও থাবা বসিয়েছে করোনা। ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার পর আয়ারল্যান্ডও তাদের সিরিজ স্থগিত করলো।








