করোনাভাইরাসের কারণে মাঠের সব খেলা স্থগিত হয়ে গেছে আগেই। সারা দেশে চলছে চলছে লকডাউন। এ অবস্থায় আর্থিক সংকট মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কর্মচারীদের ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি দিয়ে দিয়েছে। তবে কর্মচারীদের এই কঠিন সময়ে কিছুটা আয়-রোজগার হয় সে জন্য ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের জন্য সুপার মার্কেটে অস্থায়ী চাকরির চেষ্টা করছে।
চাকরির জন্য বলা হয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম স্পনসর এবং সুপার মার্কেট জায়ান্ট উলসওয়ার্থকে। ‘আমি উলসওয়ার্থের সিইও ব্র্যাড বান্ডুচ্চিকে চিঠি লিখেছি। কারণ আমরা জানি যে এই সময়ে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী লাগে, সেগুলোর একটি উলসওয়ার্থ’- ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেভিন রবার্টসকে এভাবেই উদ্ধৃত করেছে এসইএন রেডিও।
অস্ট্রেলিয়ায় আরও কিছু প্রতিষ্ঠান ও শিল্প-কলকারখানাও এরকম সময়ে কর্মী নিয়ে থাকে। তাই উলসওয়ার্থের বাইরে এসব জায়গাতেও সাময়িক চাকরি খুঁজে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেভিন রবার্টস। স্থগিত হয়ে যাওয়া ম্যাচ থেকে খুব বড় রকমের রাজস্ব হারায়নি বলেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কেন্দ্রীয় সরকারের জবকিপার সাপোর্ট প্রোগ্রাম থেকে সহায়তা পাচ্ছে না।
ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট যদি দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হয়, সেখান থেকে অনেক আর্থিক ক্ষতিই হবে, কারণ মৌসুম ভেদে ৪-৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার রাজস্ব আসে টিকিট বিক্রি থেকে। এই ভাবনা থেকেই অর্থ সাশ্রয়ের দিকে ঝুঁকেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। আর সেজন্যেই বিষয়টা খুব পছন্দের না হলেও কর্মচারীদের অস্থায়ী চাকরি জোগাড় করে দেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেভিন রবার্টস।
করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট জরুরি অবস্থায় কর্মচারীরা বেতন পাবেন শতকরা ২০ ভাগ, কিন্তু নির্বাহীরা পাবেন ৮০ ভাগ। রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অবশ্য এই আর্থিক ব্যবস্থাসহ করোনা পরিস্থিতিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নেওয়া অনেক পদক্ষেপের সঙ্গেই পুরোপুরি একমত নয়।
কিন্তু কেভিন রবাটর্স বলছেন বেশিরভাগ অংশীজনের সমর্থনই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে, ‘আমরা জানি শতভাগ মানুষ ও শতভাগ অংশীজনকে আপনি খুশি করতে পারবেন না। কিন্তু সত্যিটা হলো বেশির ভাগ মানুষ, আমাদের সদস্য ও অংশীজনই আমরা যেভাবে কাজ করছি তাতে খুশি।’








