করোনা মোকাবিলায় বর্তমান ক্রিকেটাররা একজোট হয়েছেন। বসে নেই সাবেকরাও। সাবেক ক্রিকেটারদের খেলুড়ে মঞ্চ মাস্টার ক্রিকেট কার্নিভাল (এমসিসি) এমন উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহীতে। যাদের বিতরণেও থাকছে অভিনবত্ব। বিতরণের খাদ্যসামগ্রীকে বলা হচ্ছে- ‘রমজান উপহার।’
এমসিসির উদ্যোগে রাজশাহীর অসহায় মানুষদের এভাবে উপহার বিতরণ করছেন রাজশাহীর সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলটসহ অন্যান্যরা। রমজান মাস উপলক্ষে পুরো মাসব্যাপী রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের অস্বচ্ছল মানুষের এমন উপহার পৌঁছে দেবেন ক্রিকেটাররা।
করোনার কারণে নিম্ন আয়ের মানুষেরা এখন কর্মহীন। এই দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকাকেই মূল দায়িত্ব হিসেবে মনে করেন পাইলট। সাবেক অধিনায়ক ও মাস্টার ক্রিকেট কার্নিভালের (এমসিসি) এই আহ্বায়ক বাংলা ট্রিবিউনকে নিজেদের কার্যক্রম নিয়ে বলেছেন, ‘ক্রীড়াঙ্গন স্থবির হয়ে আছে। আমি যেহেতু রাজশাহীর সন্তান, সেই কারণে ওখানকার মানুষদের জন্য কিছু করা আমার নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। গত শুক্রবার থেকে করোনার কারণে সমস্যায় পতিত ক্রীড়াবিদদের আমরা রমজানের উপহার পাঠানো শুরু করেছি।’
কীভাবে সব কিছু পরিচালনা করছেন, তার বিস্তারিতও তুলে ধরলেন পাইলট, ‘পুরো রমজান জুড়ে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। রাজশাহীতে আমরা যারা সাবেক ক্রিকেটার আছি, তারা ফান্ড তৈরি করে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। ক্রীড়াঙ্গনের অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদ ছাড়াও আমরা সাধারণ মানুষের কাছে উপহার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’
গত দুই দিন ধরে রাজশাহীতে সাবেক অস্বচ্ছল ক্রিকেটারদের মাঝে রমজানের উপহার তুলে দিয়েছে এমসিসি। এই দুই দিনে প্রায় ৬০ জন সাবেক ক্রিকেটারদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আটা, ২ কেজি ছোলা, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি চিনি, ২ কেজি তেল, ২ কেজি পেঁয়াজ, ৪ কেজি আলু, ১টি সাবান ও ১ কেজি লবন তুলে দেন।
এই মহৎ কাজে যুক্ত আছেন মাস্টার ক্রিকেট কার্নিভাল আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট, বাংলাদেশ দলের সাবেক ক্রিকেটার সাইফুল্লাহ খান জেমসহ অন্যান্য সদস্যরা।
সাবেক ক্রিকেটার ছাড়াও খেলার সাথে জড়িত গ্রাউন্ডসম্যান, ফুটবলার, হকি, ভলিবলসহ সকল অস্বচ্ছল খেলোয়াড়দের মাঝেও এমন উপহার বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে এমসিসি।








