হোয়াংহো নদী যদি চীনের দুঃখ হয়, তাহলে বাংলাদেশের টেস্ট-দুঃখ হলো মুলতান টেস্ট। ১৬ বছরে যেই টেস্টের স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি খালেদ মাহমুদ-হাবিবুল বাশাররা। ১ উইকেটে হেরে যাওয়া সেই মুলতান টেস্ট আজও চিরন্তন এক আক্ষেপের নাম। তবে ম্যাচটিতে হারের কারণ হিসেবে আম্পায়ারদের পক্ষপাতমূলক আচরণকে এখনও দায়ী করেন মুলতান টেস্টের অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।
তামিম ইকবালের সঙ্গে লাইভ আড্ডায় অবধারিতভাবেই এলো মুলতান টেস্ট প্রসঙ্গ। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ইনজামামদের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। টেস্টটি তারা হেরে যায় ইনজামাম উল হকের অতিমানবীয় ব্যাটিং আর অধিনায়ক-উইকেটরক্ষক রশিদ লতিফের প্রতারণার কারণে।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের সময় অলক কাপালির ক্যাচ হাত ফসকে পড়ে গেলেও তা মাটি থেকে তুলে নিয়ে ক্যাচের আবেদন করেছিলেন রশিদ। দুর্ভাগ্যক্রমে আম্পায়ারের চোখ এড়িয়ে যাওয়ায় আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হয় কাপালিকে। সেই টেস্টের স্মৃতি মনে করে সুজন বলেছেন, ‘মুলতান টেস্ট নিয়ে আমরা সবাই জানি, আমরা এত বেশি ক্লোজ ছিলাম ম্যাচটাতে। সবাই জেতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু ভাগ্য সহায় করেনি। আমি কাউকে দোষ দেবো না। তবে সত্যি কথা বলতে এত বাজে আম্পায়ারিং এর আগে কখনও হয়নি। একটা আউট নিয়ে রশিদ লতিফ কী করলো-সেটাতো আমরা সবাই জানি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা বলতে যা বোঝায় সবটাই করেছিলাম। এত কাছে এসে একটা উইকেট আমরা ফেলতে পারলাম না।’
তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘তিন কি চার বল পেয়েছিলাম শেষ উইকেট ফেলতে। দুটো বলতো স্ট্যাম্পের এত কাছ দিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্য লাগেনি। সত্যি কথা কষ্টের একটা ম্যাচ ছিল। ম্যাচটি জিততে পারলে, ওটাই হতো বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।’








