করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি মেলেনি এখনও। কিন্তু এর মাঝেই ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া মাঠে ফিরতে শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। তবে সব কিছু এখনও পরিকল্পনার পর্যায়ে। ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েই নানামুখী পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বিসিবি।
ক্রিকেটাররা কীভাবে নিরাপদে অনুশীলন শুরু করতে পারবেন, সে বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরির জন্য প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীকে বিসিবি নির্দেশনা দিয়েছে। এ ব্যাপারে বিসিবির এই চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ক্রিকেটারদের ফিট রাখাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। বিসিবি আমার কাছে পরিকল্পনা চেয়েছিল এবং আমি তিনটি পরিকল্পনা সাজিয়েছি, সেগুলো জমা দেবো। এরপর বিসিবি সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা কখন এগুলো কার্যকর করতে শুরু করবে।’
তিন ধাপের প্রথমটি হচ্ছে সোলো বা একক ট্রেনিং। এ ব্যাপারে দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘প্রথমে হচ্ছে সোলো বা একক ট্রেনিং। মানে পুরোপুরি আইসোলেশনে থাকতে হবে দূরত্ব বজায় রেখে। নির্দিষ্ট ক্রিকেটার এসে তার ট্রেনিংগুলো করবে, কিছু স্কিল করলো। এসবই করতে হবে একা একা। সঙ্গে একজন সুপারভাইজার থাকবে, ট্রেনার, ফিজিও থাকবে মাঠে।’
একক অনুশীলন শেষ হলে শুরু হবে দলগত অনুশীলন। এর রূপরেখা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা দলগত অনুশীলনে ৩ জন করে আনবো। আইসিসি বলছে, ১ জন, ৩ জন, ১০ জন অথবা ১০ জনের বেশি। এটা আসলে গাইডলাইন, সবাই তো সেটা অনুসরণ করছে না। শ্রীলঙ্কা শুরু করেছে ১৩ জন নিয়ে।’
তৃতীয় ও শেষ ধাপটি হবে বোলারদের নিয়ে। সেটি কেমন হবে জানতে চাইলে দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘তৃতীয় ধাপটি শুধু বোলারদের নিয়ে। পেস বোলারই মূলত, স্পিনাররাও হয়তো আসবে।’
তবে এতসব পরিকল্পনা করা হলেও শিগগিরই যে ক্রিকেট ফিরছে না সেটি পরিষ্কার। দেবাশীষ চৌধুরীও বলেছেন তেমন কথা, ‘বোর্ড পরিকল্পনা চেয়েছিল। তবে এগুলো কখন থেকে কার্যকর করা শুরু হবে, তা জানায়নি। এছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে আমরা কাজ করতে পারবো কিনা, সেটাও তো জানি না।’








