!!
নভেম্বরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরই মোহাম্মদ হাফিজের ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেওয়ার কথা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সেই টুর্নামেন্ট যথা সময়ে হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েই গেছে। তাই টুর্নামেন্ট দেরি করে হলে অবসর ভাবনাটিও পেছানোর কথা বলেছেন হাফিজ।
পাকিস্তানে বর্তমান দলে সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মধ্যে হাফিজ দ্বিতীয়। যার ক্রিকেট ক্যারিয়ারই ১৭ বছরের। এক ভিডিও কনফারেন্সে বর্তমান পরিস্থিতিতে অবসর পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি, ‘অনেক ভেবে চিন্তেই বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যেমনটি করেছিলাম টেস্ট ক্রিকেটেও। নিজের সময় বুঝেই অবসর নিতে চেয়েছি। সঙ্গে ছিল আমার লক্ষ্য ও পাকিস্তান ক্রিকেটের স্বার্থটিও।’
‘একটি বড় টুর্নামেন্ট খেলেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেখানে আমি ভালো করে পারফর্ম করতে চাই। যাতে করে বিজয়ীর বেশে বিদায় বলতে পারি। এটাই আমার পরিকল্পনা। যদি নভেম্বরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পেছায়, তাহলে তার মানে এই নয় যে আমি পরেও তাতে খেলবো না’- বলেছেন হাফিজ।
হাফিজ টেস্টকে বিদায় বলেছেন ২০১৮ সালে। কিন্তু সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটে খেলে যাওয়াকেই শ্রেয় মনে করেছেন তার পর। দলের পরিকল্পনায় ছিলেন বলে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে গত জানুয়ারির টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ডাক পেয়েছিলেন। যদিও তা হয়েছিল এক বছরেরও বেশি সময় পর।
তার পরেই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিদায় বলে দেবেন। হাফিজ অবশ্য বলেছেন, যখনই খেলা হোক না কেন, শারীরিক ফিটনেসের চ্যালেঞ্জটি অবশ্যই নিশ্চিত করবেন তিনি, ‘আমি এজন্যই খেলতে চাই কারণ কখনোই নিজের দক্ষতা ও ফিটনেসের সঙ্গে আপোস করিনি। পাকিস্তানের হয়ে খেলার জন্য কোনও ঘাটতি থাকুক এটাও চাই না। তাই টুর্নামেন্ট বিলম্বিত হলেও নিজের ফিটনেস যেন যথাযথ থাকে সে বিষয়টি নিশ্চিত করবো। যাতে টুর্নামেন্ট যখনই গড়াক, সেখানে যেন খেলতে পারি।’
হাফিজ অবশ্য এও বলেছেন যদি তার বিকল্প চলেই আসে তাহলে সরে দাঁড়াতেও তার আপত্তি নেই। তখন মনোযোগী হবেন টি-টোয়েন্টি লিগে, ‘যদি আন্তর্জাতিক মানের ভালো কোনও বিকল্প থাকে, তখন তারাই খেলবে, আমি সরে দাঁড়াবো। তেমনটি হলে তখন আমি আন্তর্জাতিক লিগগুলোই খেলে যাবো। আশা করছি সেটা হয়তো আরও কয়েক বছর সম্ভব হবে।’








