সাধারণত সফরে ক্রিকেটারদের সঙ্গী হয়ে থাকেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ইংল্যান্ড সফরে পরিবারের কাউকেই সঙ্গী করতে পারবে না পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। এমন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
করোনা পরিস্থিতিতে সিরিজ হওয়ার কথা ছিল না এমনিতেই। তার পরেও আধা মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে পাকিস্তানকে বিশেষ ভাড়া করা বিমানে উড়িয়ে আনছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। শুধু মাত্র এই সিরিজটি আয়োজনের জন্যই। না হলে যে ক্ষতির মুখোমুখি পড়তে হবে ইসিবিকে। তার ওপর সেখানে সফরকারী দলের ওপরও থাকছে নানা বিধি নিষেধ। থাকতে হবে ‘জীবাণু সুরক্ষিত’ পরিবেশে। সব দিক বিবেচনায় নিয়েই সংক্রমণ রোধে খেলোয়াড় ও স্টাফদের পরিবারের সদস্যদের সফরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘বোর্ড খেলোয়াড়দের স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছে, তাদের পরিবার সঙ্গে যেতে পারবে না। আর সেখানে গেলে আলাদাভাবেই যখন থাকতে হবে, তাই সঙ্গে গিয়েও কোনও লাভ নেই। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সফর শেষ হওয়ার আগে কোনও খেলোয়াড়ই ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না।’
এমন বিধিনিষেধের জন্যই সফর থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ব্যাটসম্যান হারিস সোহেল। কারণ বিদেশ সফরে তিনি একাকী থাকতে পারেন না। ২০১৫ বিশ্বকাপেই একটি কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডে হোটেলে একা থাকার সময় ‘ভূত’ দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করে বসেন। এর পর থেকেই বোর্ড সব সফরেই তার স্ত্রীকে সঙ্গী হিসেবে রাখার অনুমতি দেয়।








