গত মাসের ঘটনা। সাউদাম্পটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রথম টেস্টটা শেষ হওয়ার পর জীবানু সুরক্ষিত হোটেল রুমে ফিরে যাননি জফরা আর্চার। গাড়িটা ঘুরিয়ে হোভে নিজের ফ্ল্যাটে চলে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ক্যারিবীয় বংশোদ্ভুত পেসার। যুক্তরাজ্য সরকার ও ইসিবি নির্দেশিত কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় পরে তাকে দল থেকে বাদ পড়ে পস্তাতে হয় হোটেলের বাধ্যতামূলক সঙ্গ-নিরোধে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) ভয় পাচ্ছে, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের তিনটি ভেন্যুতে শুরু হতে যাওয়া ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ক্রিকেটাররা না এমন কিছু করে বসেন! তাই আইপিএল চলাকালীন খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে বিসিসিআই।
ভারতের চেয়ে অনেকটাই নিরাপদ ভাবা হয়েছিল আরব আমিরাতকে। কিন্তু মরু দেশটিতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে। সেজন্য সেখানে এবারের আইপিএল (১৩তম সংস্করণ) একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বিসিসিআই। তাই প্রতিটি খেলোয়াড় এবং আইপিএলের দলগুলোর মালিকদের নিজেদের প্রতি বেশি করে যত্নবান হতে নির্দেশ দিয়েছে বিসিসিআই। ‘প্রতিটি খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, মালিক এবং অন্যান্য সদস্যদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে। আমরা চাই না কারো ভুলের জন্য অন্যরা করোনাক্রান্ত হোন এবং তাদের ভোগান্তি হোক’-বিসিসিআইয়ের এক পদস্থ কর্মকর্তাকে এভাবে উদ্ধৃত করেছে সংবাদ সংস্থা আইএএনএস।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম সহায়তা দেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু দলের মালিকদের বলা হয়েছে যত্র-তত্র মুক্তভাবে ঘোরাঘুরি করা যাবে না, কারণ উপসাগরের দেশটিতে করোনার বিস্তার কম নয়। আর এত বিলম্বের পর শেষ পর্যন্ত যেহেতু আইপিএল বিদেশে হলেও মাঠে নামতে যাচ্ছে, সংশ্লিষ্ট সবারই সেটির সফল আয়োজনে দায়বদ্ধ থাকা উচিত।
এরইমধ্যে আইপিএলের ঘণ্টা বেজে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার আট দলের তিনটি পৌঁছে গেছে আরব আমিরাতে। বিকেলে ভাড়া করা বিমানে দুবাই পৌঁছেছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব (কেআইপি) ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। এ দুটি দলের খানিক পর সন্ধ্যায় নিজেদের ঘাঁটি আবুধাবিতে পৌঁছে গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। দুবাই, আবুধাবি ও শারজা-এই তিন ভেন্যুতে ১৯ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে আইপিএল শেষ হবে ১০ নভেম্বর।








