অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটা দুর্দান্ত গেল ইংলিশ ব্যাটসম্যান ডেভিড মালানের। আর তাতেই পাকিস্তানের বাবর আজমকে সরিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিয়ের শীর্ষে উঠে গেলেন ৩৩ বছর বয়সী বাঁহাতি।
তিন ম্যাচে করেছেন ১২৯ রান, প্রথম ম্যাচেই ম্যাচ-সেরা পুরস্কার পাওয়া ৬৬ রান। ইংল্যান্ড সিরিজটা জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।
মালান বাবরের চেয়ে আটটি রেটিং পয়েন্ট বেশি নিয়ে এই প্রথম ‘এক নম্বর’ হলেন, চারধাপ উন্নতি হয়েছে তার। করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ছয়মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা দলের খেলোয়াড়দের র্যাঙ্কিং যে নিম্নমুখী হবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। তাই আগের র্যাঙ্কিয়ে দুইয়ে থাকা ভারতের লোকেশ রাহুল নেমে গেছেন চার নম্বরে, আর বিরাট কোহলির জায়গা হয়েছে নয়ে। তবে আজ বুধবার প্রকাশিত আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে অবশ্য ভারত অধিনায়কের একধাপ উপরে উঠেছেন।
ইংল্যান্ডের পক্ষে জনি বেয়ারস্টো তিনধাপ ওপরে উঠে ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ১তম স্থানে আছেন। তবে ১২ ধাপ উন্নতি হয়েছে জস বাটলারের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচে ১২১ রান করে ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছেন, ৪০ থেকে উঠে এসেছেন ২৮তম স্থানে।
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ তিন ম্যাচে ১২৫ রান করে ধরে রেখেছেন র্যাঙ্কিয়ের তৃতীয় স্থান। ষষ্ঠ স্থানেই আছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে একধাপ ওপরে উঠে তিনি দুইয়ে এসেছেন, যেখানে শীর্ষে আছেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী।
ইংল্যান্ড লেগস্পিনার আদিল রশিদ র্যাঙ্কিংয়ের সাতে উঠেছেন, দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে এই সিরিরেজ সর্বাধিক ৬ উইকেট পাওয়া বোলারের। সিরিজে ৫ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি স্পিনার অ্যাস্টন অ্যাগার ধরে রেখেছেন তৃতীয় স্থান। শীর্ষ দুইয়ে দুই আফগান স্পিনার- রশিদ খান ও মুজিব-উর-রেহমান।
শেষ ম্যাচটি জিতে দলগতভাবে র্যাঙ্কিয়ের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সাময়িকভাবে শীর্ষে উঠে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, শেষ ম্যাচটি জিততে পারলে থাকতো ওখানেই।
২৭৮ র্যাঙ্কিং পয়েন্ট নিয়ে সিরিজ শুরু করা অস্ট্রেলিয়া প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ২৭৩ পয়েন্ট নিয়ে ইংল্যান্ডের সমান্তরালে এসে দাঁড়ায়। যদিও দশমাংশের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংলিশরা। মে মাসে, র্যাঙ্কিয়ের বার্ষিক হালনাগাদে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টির সংস্করণের শীর্ষে ওঠা অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট এখন ২৭৫, ২৭১ পয়েন্ট নিয়ে ইংল্যান্ড রয়েছে র্যাঙ্কিয়ের দুইয়ে।
দশ দলের র্যাঙ্কিয়ে পরবর্তী ক্রমগুলো এরকম- ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট সমান ২২৯, শতাংশের ব্যবধানে ক্যারিবীয়দের পেছনে ফেলে বাংলাদেশ রয়েছে আটে।








