প্রথম দফার করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছিলেন জাতীয় দলের ট্রেনার নিক লি। এর আগেও পজিটিভ হওয়ায় সব মিলিয়ে তার করোনা ধরা পড়ে দুবার। অবশেষে করোনা থেকে মুক্তি মিলেছে জাতীয় দলের এই ট্রেনারের। অন্যদিকে প্রথম দফায় পজিটিভ হওয়া জাতীয় দলের ওপেনার সাইফ হাসান এখনও পরীক্ষার অপেক্ষায় আছেন। রবিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবি প্রথমে গত ৮ সেপ্টেম্বর নিক লি ও তরুণ ওপেনার সাইফ হাসানের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়েছিল। ৮ সেপ্টেম্বর সাইফের প্রথমবার করোনা ধরা পড়লেও লির বেলায় সেটি ছিল দ্বিতীয়বার। গত ১৪ আগস্ট দুবাইয়ে প্রথমবার তার করোনা ধরা পড়ে। যে কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০ দিন আইসোলেশেনে কাটাতে হয় দক্ষিণ আফ্রিকান এই ট্রেনারকে। তার পর ২৩ আগস্টের পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ হয়েই ঢাকায় পা রাখেন তিনি। তবে ঢাকায় পা রেখে পুরো ১৪ দিন তাকে কাটাতে হয় হোম কোয়ারেন্টিনে। তার পরও করোনা মুক্ত থাকতে পারেননি।
অবশেষে নতুন করে পরীক্ষার পর করোনা মুক্ত হতে পেরেছেন নিক লি। তার রিপোর্ট নিয়ে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী বলেছেন, ‘শুক্রবার নিক লির কোভিড-১৯ টেস্ট করিয়েছি আমরা। ওর ফল নেগেটিভ এসেছে।’
অন্যদিকে সাইফের ব্যাপারে একটু জটিলতা রয়ে গেছে। পরিবারের একাধিক সদস্যের করোনার উপসর্গ- ঠাণ্ডা ও জ্বর থাকায় শুরুতে মিরপুরের ঐচ্ছিক অনুশীলনে যোগ দেননি জাতীয় দলের এই ওপেনার। বাড়ির পাশে ধানমন্ডির ৪ নম্বর মাঠে হালকা অনুশীলন করেছিলেন। পরবর্তীতে সবার শেষে যোগ দিয়েছিলেন ব্যক্তিগত অনুশীলনে। তবুও শেষ রক্ষা হয়নি। টেস্ট দলের এই ওপেনারের ব্যাপারে দেবাশিষ চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘সাইফ হাসানের পরীক্ষা এখনো করানো হয়নি। ওর শারীরিক পরিস্থিতি আরও একটু ভালো হলে করোনা পরীক্ষা করানো হবে।'
শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য চলতি সপ্তাহেই ২০-২২ সদস্যের দল ঘোষণা করা হবে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পরবর্তীতে করোনা পরীক্ষা করবে বিসিবি। এভাবে আরও দুইবার ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার পর তারা নেগেটিভ হলেই ২০ সেপ্টেম্বর উঠতে পারবেন হোটেলে। হোটেলে থেকে কয়েকদিন দলীয় অনুশীলনে অংশ নিয়ে তারা ২৭ সেপ্টেম্বর উড়াল দেবেন শ্রীলঙ্কায়। জাতীয় দলের সঙ্গী হবে হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলও।








