বাফুফে ভবনের ডরমিটরি ছিল ঠিকানা, সেখানে থেকে বছর জুড়েই চলতো তাদের অনুশীলন। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘ ৬ মাস তাদের বাড়িতে ‘বন্দী’ থাকতে হয়েছে। নিজের মতো করে যতটা পারা যায় অনুশীলন করেছেন তারা। আবারও বৃহস্পতিবার থেকে আবাসিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে মেয়েদের। আপাতত ৩৩ জন খেলোয়াড় এই ক্যাম্পে আছেন। ধীরে ধীরে সংখ্যাটা বাড়বে।
অনেক দিন পর ক্যাম্পে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বসিত আঁখি-মনিকারা। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাফুফে ভবনের গেটে দাড়িয়ে সংবাদমাধ্যমকে মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা বলেছেন, ‘এতদিন আমরা বাসায় ছিলাম। অনুশীলন করেছি নিজের মতো করে। স্যারের (কোচের) নির্দেশনায়। চেষ্টা করেছি ফিটনেস ধরে রাখার। এখন ক্যাম্পে এসেছি। একসঙ্গে হচ্ছি সবাই। সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এখন অনেক ভালো লাগছে।’
ডিফেন্ডার আঁখি খাতুনের অবশ্য ভালোও লাগছে, খারাপও লাগছে, মিশ্র প্রতিক্রিয়া তার, ‘এর আগেও আমরা পরিবারকে ছেড়ে ক্যাম্পে ছিলাম। এখন আবার মন খারাপ লাগবে তাদের ছেড়ে থাকতে। আবার ভালো লাগছে অনুশীলনে ফিরতে পারছি বলে। আবার খেলার সুযোগ পাবো। ফিটনেস ধরে রাখতে যতদূর সম্ভব চেষ্টা করছি। একা একা ফিটনেস লেবেল ঠিক রাখা কঠিন। তবে দুই সপ্তাহ লাগবে আগের মতো ফিটনেস ফিরে পেতে।’
আগামী বছরের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ ও ২০ ফুটবল বাছাইপর্বের জন্য মেয়েদের এই ক্যাম্প আবারও শুরু হয়েছে। আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে মাঠের অনুশীলন। দুইবেলা ঘাম ঝরাবেন মেয়েরা। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ফিটনেস নিয়ে বলেছেন,‘ পুরোপুরি আগের মতো ফিটনেস লেবেল ঠিক থাকবে না। তবে ৪০ ভাগ ফিটনেস থাকলেও আমি মনে করবো ভালো। আগে তো তাও থাকতো না। এখন মেয়েরা অনেক সচেতন। মাঠের অনুশীলন ঠিকমতো চললে একসময় ওরা আগের মতো পুরোপুরি ফিটনেস ফিরে পাবে।’








