শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে যে দুর্নীতির বিষবাষ্প ঢুকেছে অনেক আগেই সেটির আরেক খণ্ড প্রমাণ মিললো সাবেক শ্রীলঙ্কান পেসার নুয়ান জয়সার বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায়। ২০১৮ সালে জয়সার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বিরোধী ধারায় অভিযোগ গঠন করে আইসিসি। দুই বছর পর আজ বৃহস্পতিবার আইসিসির নিরপেক্ষ বিচারকদের কাছে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৯ সালের মে মাস থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টি-১০ লিগে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কৃত জয়সার শাস্তি শিগগিরই ঘোষণা করবে আইসিসি।
আইসিসি জানিয়েছে, জয়সা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের ২.১.১ , ২.১.৪ ও ২.৪.৪ ধারা ভেঙেছেন। যার মাধ্যমে তিনি নিজে ফিক্সিংয়ের একটি পক্ষ হিসেবে কাজ করেছেন, অন্য খেলোয়াড়দের ফিক্সিংয়ে প্ররোচিত করেছেন এবং আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা জানাননি।
বহস্পতিবার আইসিসির এক বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ‘আরব আমিরাতে ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে তার বিরুদ্ধে আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি বিরোধী চারটি ধারা ভঙ্গের কারণে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। সেটি টি-১০ লিগে অংশগ্রহণ সংশ্লিষ্ট। ওটার তদন্ত এখনও চলছে।’
৩০টি টেস্ট ও ৯৫টি ওয়ানডে খেলেছেন জয়সা। ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বোলিং কোচ নিযুক্ত হন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের হাই-পারফরম্যান্স সেন্টারে কাজ করার সময়ে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ হয় ৪২ বছর বয়সী সাবেক বাঁহাতি পেসারের।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার সেই সময়কার ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন ফার্নান্দো বলেছিলেন আইসিসির রেটিং অনুযায়ী শ্রীলঙ্কা হলো ক্রিকেটে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। গত জুন মাসে আরেক সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মাহিন্দানন্দা আলুথগামাগে অভিযোগ করেন, তার বিশ্বাস ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল শ্রীলঙ্কা ভারতের কাছে ‘বিক্রি’ করে দিয়েছিল। এটির তদন্ত চান তিনি। শ্রীলঙ্কা পুলিশ অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে পরে অবশ্য বাদ দিয়ে দেয়। বলা হয়, অভিযোগের সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ মেলেনি।







