ঢাকার হোটেলে সহকারী কোচদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে যান বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব ২০ ফুটবল দলের কোচ জেরার্ড জোন্স। এরপর ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে পুলিশও ডাকেন। এ নিয়ে একটু আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জোন্স।
তিনি বলেছেন, “আমার এবং কোনও গোলরক্ষক কোচের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই। আমাদের মধ্যে অসাধারণ একটি সম্পর্ক রয়েছে। এতটাই যে আমরা হাসাহাসি করি, মজা করি, আমরা একে অপরের রুমে আসা-যাওয়া করি এবং সে আমাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করেছে। সে আজ আমার সঙ্গে বেঞ্চে আছে, খেলায় আমাকে সহায়তা করছে। আমরা কৌশলগত পরামর্শ শেয়ার করছি। সবকিছু ভিডিওতে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “সম্ভবত কেউ— সেটা ভেতরের হোক বা অন্য কেউ, তথ্য ফাঁস করছে। কী উদ্দেশ্যে তা আমি জানি না। আমি জানি না কেন, আমি জানি না কেন— এই দেশে এমনটা ঘটবে। যখন আমাদের কাছে ইতিহাস গড়ার এবং একসঙ্গে কাজ করার দারুণ একটি সুযোগ রয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমি নিরাপদ বোধ করছি না। আমি নিরাপদ বোধ করিনি। আমি বিএফএফকে বেশ কয়েকবার বিষয়টি অবগত করেছি। আমি মনে করি না যে আমার কথা শোনা হয়েছে। আমি কোনও সমর্থন পাই না। যাই ঘটুক না কেন, মতামত দেওয়ার অধিকার আমার আছে। প্রশ্ন করার অধিকারও আছে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে কর্মক্ষেত্রে আক্রমণ করা হয়েছিল। কর্মক্ষেত্রে আমাকে আক্রমণ করা উচিত নয়। আমাকে নিজেকে রক্ষা করতে হয়েছে এবং পুলিশ ডাকতে হয়েছে। আমি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি। আরও কেউ যদি এটি নিয়ে কাজ করতে চায়, তবে আমি তথ্য প্রদান করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত হবো। বিবৃতি হোক, অডিও হোক, বা আক্রমণের এবং যে আঘাতগুলো পেয়েছি তার ছবি হোক— সব দিয়ে সহযোগিতা করবো।”
তিনি যোগ করেন, “দিন শেষে, আমি নিরাপদ বোধ করি না। আমি নিরাপদ বোধ করিনি। আমি এখনও নিরাপদ বোধ করছি না। এটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলেছে। আমি এমন একটি দেশে আছি যেখানে আমি জানি না এর ফলে আরও প্রতিশোধ নেওয়া হবে কিনা? আমার কাজে যাওয়া এবং কর্মক্ষেত্রে আক্রমণের শিকার হওয়া উচিত নয়।”
ফেডারেশনের উদাহরণ টেনে কোচ বলেন, “এমনটা ঘটা উচিত নয়। আমার সঙ্গে শত্রুতা করা উচিত নয়। আমি ফেডারেশনকে বিষয়টি অবগত করেছি, প্রাপ্ত আঘাতের ছবি শেয়ার করেছি। দিন শেষে, আমার অনুভব করা দরকার যে আমি কর্মক্ষেত্রে সমর্থন পাচ্ছি এবং নিরাপদ পরিবেশে আছি। এটি কীভাবে পরিচালনা করা হবে বা কীভাবে পরিচালনা করা উচিত— সে সম্পর্কে আমি ফেডারেশনের কাছে আমার প্রস্তাব এবং অনুরোধগুলো শেয়ার করেছি। যেমনটা আমি বলেছি, আমি একটু একটু করে সুস্থ হয়ে উঠছি। প্রয়োজন হলে প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসহ আসলে কী ঘটেছিল তার একটি বাস্তব বিবরণ প্রদান করতে আমি প্রস্তুত আছি।”









