এই জয় অবিশ্বাস্য, অসাধারণ এবং অনন্য

রবিউল ইসলাম
১২ নভেম্বর ২০১৬, ১৮:৪২আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৬, ১৯:১২

এই জয় অবিশ্বাস্য, অসাধারণ এবং অনন্য ক্রিকেট গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। হয়তো এই কারণেই ক্রিকেট এতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। মূহূর্তেই রং বদলানো, ক্রিকেটে ছাড়া  অন্য খেলায় হয়তো এতটা হয় না। এই যেমন শনিবারের ম্যাচটা, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা রঙে রঙিন হলো। একবার চিটাগং ভাইকিংসের দিকে হেলে পড়লে আরেকবার হেলে পড়ে খুলনা টাইটানসের দিকে। পুরোটা সময়ই এমন ক্রিকেট হয়েছে মিরপুরের ২২ গজে।

শনিবার মিরপুর স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক ম্যাচ উপভোগ করলো বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমিরা। যা এক কথায় অবিশ্বাস্য। এমন জয়ের নায়ক মাহমুদউল্লাহকে তাই মাথায় তুলে খুলনার ক্রিকেটাররা উৎসবে মাতলো। এই উৎসবে বাড়তি মাত্রা যোগ হয়েছে, কারণ জয়টা যে অপ্রত্যাশিত ছিল।

ক্রিকেটে এমন অনিশ্চিত সব জয়ের রেকর্ড বহু আছে। যদিও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খুব বেশি নেই। খুলনা টাইটানস তাদের আগের ম্যাচেও রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিয়েছিল রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে শেষ ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ৭ রান। তবে ক্রিজে সেই মানের ব্যাটসম্যান ছিলেন না; তাই হয়তো অলৌকিক কিছু ভাবেনি কেউ। স্বাভাবিক জয় হিসেবেই নিয়েছে রাজশাহীর বিপক্ষে জয়টিকে।

কিন্তু শনিবার মিরপুরে অলৌকিক কিছুই ঘটেছিল। যারা মাঠে উপস্থিত ছিলেন, তাদের চোখও যেন বিশ্বাস করছিল না। কিভাবে এমন জয় ধরা দিল খুলনা টাইটানসের শিবিরে। প্রথম ম্যাচের পর তৃতীয় ম্যাচেও একই বোলার প্রায় একই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ম্যাচ জেতালেন খুলনাকে।

প্রথম ম্যাচ শেষ করে খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও বলেছিলেন, এমন ঘটনা সব সময় ঘটে না। সে দিন শেষ ওভারে রিয়াদের জাদুতে ম্যাচ জেতে খুলনা। ওই ম্যাচে শেষ ওভারে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ৩ রানে জিতেছিল খুলনা।

শনিবার ম্যাচটি ছিল আরও শ্বাসরুদ্ধকর। যেখানে মোহাম্মদ নবী ও চতুরঙ্গা ডি সিলভার মতো অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান ছিলেন ক্রিজে। সেই অবস্থা থেকে ৪ রানে জয় তো অবিশ্বাস্যই হবে, অসম্ভব জয়ও বলা চলে। এ দিন তিন উইকেট হারিয়ে শেষ ওভারে মাত্র একটি রান নিতে সক্ষম হয়েছিলেন চিটাগং ভাইকিংসের ব্যাটসম্যানরা।

প্রথম ম্যাচের মতো তৃতীয় ম্যাচেও জয়ের নায়ক সেই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদই। শেষ ওভারে দ্বিতীয় বলে চতুরঙ্গা ডি সিলভাকে সাজঘরে বিদায় করে শুরু করেন তার মিশন। অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আবদুর রাজ্জাক প্রথম বল ডট করে দ্বিতীয় বলে শুভাগত হোমের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন। প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে যান আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবী।

নবী পঞ্চম বলটি ডট দিলে, শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৫ রান। কিন্তু ৩৯ রান করা মোহাম্মদ নবী মিডঅনে অলক কাপালির হাতে ক্যাচ তুলে দিলে জয়ের আনন্দে মাতে খুলনা টাইটানস। সেই আনন্দ ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছে গোটা গ্যালারি। ব্যতিক্রম শুধু চিটাগং ভাইকিংসের সমর্থকরা, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে বসে তখন ছলছল চোখে মাঠের দিকে তাকিয়ে তারা।

/কেআর/

সম্পর্কিত
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
এলিসের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে সিরিজে সমতা অস্ট্রেলিয়ার
১৫ বলে ফিফটি, পারভেজের রেকর্ডে ভাগ বসালেন হাবিবুর
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম