রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় দেখায় বিপিএলে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরেছিল খুলনা টাইটানস। চট্টগ্রাম পর্বের ওই ম্যাচে ৭ উইকেটে হেরে ঢাকায় ফিরে আবার জয়ের দেখা পেল মাহমুদউল্লাহর দল। শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বরিশাল বুলসের বিপক্ষে দ্বিতীয় সাক্ষাতেও জিতল খুলনা, এবার ৮ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জিতেছে খুলনা। আগের ম্যাচে ২২ রানে বরিশালকে হারায় দলটি। এই জয়ে রংপুরকে টপকে আবার শীর্ষে ফিরেছে মাহমুদউল্লাহর দল, ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট তাদের। দুই পয়েন্ট কমে দ্বিতীয় স্থানে নেমে যেতে হলো এক ম্যাচ কম খেলা রংপুরকে।
ছন্নছাড়া ব্যাটিং করে খুলনাকে মাত্র ১২০ রানের টার্গেট দিয়ে শুরুটা ভালো করেছিল বরিশাল। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণি ব্যাটসম্যানকে চমকে দিয়ে বেশ নিচু হয়ে হাসানুজ্জামানের (৪) স্ট্যাম্প ভাঙল। দলীয় ১৬ রানে রিকি ওয়েসেলসের (৫) রুম্মন রঈসের কাছে বোল্ড হলে খুলনার দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয়। ওপেনার তাইবুর রহমান ধীরস্থির খেলতে থাকেন, কিন্তু ২১ রানে রানআউট হন মুশফিকুর রহিমের কাছে। ৪৯ রানে ৩ উইকেট, খুলনার পথ চলায় এতটুকুই বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
শুভাগতম হোমকে নিয়ে ৫৭ রানের জুটি গড়ে মাহমুদউল্লাহ সেই বাধা দূর করে দেন। ৩৪ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৪০ রানে রঈসের বলে শুভাগত বোল্ড হলেও খুলনার সহজ জয় তখন ছিল কয়েক হাত দূরে। মাহমুদউল্লাহ ৩৫ বলে ৩৬ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন, অধিনায়কের ব্যাটেই এসেছে খুলনার জয়সূচক একটি রান। একটি চার ও দুইটি ছয় হাঁকান মাহমুদউল্লাহ। অপর প্রান্তে ৮ রানে খেলছিলেন নিকোলাস পুরান।
এর আগে ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ের উদাহরণ রেখে ৫ উইকেটে ১১৯ রান করে মুশফিকের বরিশাল।
মিরপুরে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুশফিক। যদিও ব্যাটসম্যানরা তার সিদ্ধান্তের যথার্থ মূল্যায়ন করেননি। এমনকি মুশফিক নিজেও পরিচয় দিয়েছেন দায়িত্বহীনতার। থিসারা পেরারার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি ও অযথা রান নেওয়ার চেষ্টা করে ৩১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসের ইতি ঘটান মুশফিক। অবশ্য শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বরিশাল। দলীয় ১৮ রানে মালান (৭), ২৪ রানে মেন্ডিস (১৪) ফিরে যান। উইকেটগুলো নেন জুনায়েদ ও শফিউল।
ব্যাটিংয়ে এদিনও শাহরিয়ার নাফিস ও মুশফিক দৃঢ়তার পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মুশফিকের আগে মোশাররফের বলে লেগ বিফোর হয়ে দলীয় ৬৬ রানে ফিরে যেতে হয় নাফিসকে (২৩)। মুশফিকের আগে রান আউট হয়েছেন নাদিফ চৌধুরীও (১)!
শেষ দিকে রানের পুঁজি বাড়ান পেরেরা ও এনামুল জুনিয়র। দুজনেই অপরাজিত ছিলেন ১৭ ও ২০ রানে।
একটি করে উইকেট নিয়েছেন জুনায়েদ খান, মোশাররফ রুবেল ও শফিউল ইসলাম।
/এফআইআর/এফএইচএম/








