টসে জিতে ব্যাট করতে নামলে কী করতে হয় তা দলের অন্য ব্যাটসম্যানরা দেখাতে না পারলেও নিজে তা করে দেখিয়েছেন রাজশাহী কিংসের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। ৫৪ বলে পাঁচটি ছয় ও চারটি চারে ৭১ রানের এক অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি। দু্টি বিশ্বকাপ জিতলেও এটাই তার টি-টোয়েন্টিতে সেরা ইনিংস। আর এই ইনিংসের উপর ভর করেই খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে আট উইকেটে ১৫৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে রাজশাহী।
রাজশাহীর দুর্গে প্রথম আঘাতটি হানেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ওপেনার মমিনুল হককে ১২ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন তিনি। আরেক ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিক মেরে খেলছিলেন। তাকে থামান পেসার শফিউল ইসলাম। ১৮ বলে তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ২১ রান করা জুনায়েদকে একটি আউটসুইংগারে কট বিহাইন্ড করে শফিউল।হঠাৎ ঝিমিয়ে যায় রাজশাহীর রানের চাকা।
এরপর বিদায় ঘণ্টা বাজে সাব্বির রহমানের। মোশাররফ রুবেলের মিডল স্ট্যাম্পে পড়া বল ড্রাইভ করতে গিয়ে তিনি হন এলবিডব্লিউ। সাব্বিরের নামের পাশে ছিল ১৮ বলে ১৬ রানের সংগ্রহ।
ইংরেজ অলরাউন্ডার সামিত প্যাটেল ১৬ রানে ও পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান উমর আকমল ৯ রানে বিদায় নিলে উড়ে যায় রাজশাহীর বড় সংগ্রহের আশা। এই দুই ব্যাটসম্যানকেই ফেরান ত্রিনিদাদ টোবাগো পেসার কেভন কুপার। এর মাঝে সামিতের রিটার্ন ক্যাচটি ছিল পুরো জোরের ওপর মারা। প্রথম চেষ্টায় ধরতে না পারলেও দ্বিতীয় চেষ্টায় কুপার বল লুফে নেন।
মেহেদি হাসান মিরাজ ও ফরহাদ রেজা বিদায় নেন ১ ও ৩ রানে। শফিউলের বলে অনেক দূর দৌড়ে ফরহাদ রেজার ক্যাচটি নেন কুপার। দৃষ্টিনন্দন ছিল এটি।
অধিনায়ক স্যামি তার দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝে আবির্ভূত হন ত্রাতা হিসেবে। তার ব্যাটিংয়েই দল পায় লড়াই করার মতো সংগ্রহ।
/আরএম/এফএইচএম/








