তামিম ইকবালের ৬৬ রানের ইনিংসে খুলনা টাইটানসকে ৫ উইকেটে হারাল চিটাগং ভাইকিংস। ১৩২ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভাইকিংস ১৮.৪ ওভারে ১৩৫ রান করে নিশ্চিত করে নিজেদের ষষ্ঠ জয়। আর খুলনার এটি চতুর্থ হার।
তামিম ইকবাল ও ক্রিস গেইলের মারমুখী উদ্বোধনী জুটি ৪.১ ওভারে ভাইকিংসকে দেয় ৩৯ রানের ভিত্তি। গেইল সুবিধা করতে পারেননি, ১১ বলে তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ১৯ রান করে ডিপ মিডউইকেটে জুনায়েদ খানের হাতে ক্যাচ দেন। স্পিনার শুভাগত হোমের বলটা গেইলের প্রত্যাশার চেয়ে বাউন্স কম করায় বল সীমানা পার হয়নি।
গেইলের বিদায়ে যতটা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে খুলনা, ততটাই যেন দমে যায় ভাইকিংস। টানা দুটি রানআউটের শিকার হন ৩ রান করা এনামুল হক বিজয় ও ১ রান করা শোয়েব মালিক। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভালো খেলেছিলেন জাকির হাসান। কিন্ত বিপিএলে এসে যেন ব্যাটিং ভুলে গেছেন, ৯ বলে ৩ রান করে তিনি মোশাররফ রুবেলের বলে স্টাম্পড হন। বিপিএলের ৮ ম্যাচে তার মোট সংগ্রহ মাত্র ২০।
অধিনায়ক তামিম কিন্ত ছিলেন নিজ লক্ষ্যে অনড়। তিনি অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখেন তার ব্যাটসম্যানদের আসা আর যাওয়া। কেভন কুপারের বলে জহুরুল ইসলাম মিডউইকেটে পুশ করে মাহমুদউল্লাহর ঝাপিয়ে পড়া ক্যাচে বিদায় নিলে ম্যাচে ফেরার একটা পথ পায় খুলনা।
কিন্তু মোহাম্মদ নবিকে নিয়ে আর কোনও সুযোগ খুলনাকে দেননি তামিম। ৮ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন এই আফগার অলরাউন্ডার। আর ইনিংসের প্রত্যাশাবল খেলা তামিম ছিলেন ৫৯ বলে ৮ চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৬৬ রানে।
/আরএম/কেআর/








