ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেলো মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বাধীন কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ক্রিকেট কোচিং স্কুলকে ৪৯ রানে হারিয়েছে কলাবাগান। মূলত অভিজ্ঞ স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকের স্পিনেই ভেঙে পড়ে সিসিএসের ব্যাটিং লাইনআপ।
শুক্রবার আগে ব্যাটিং করে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার হ্যামিল্টন মাসাকাদজার সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান সংগ্রহ করে তারা। মাসাকাদজা ১০৪ বলে ১০ চার ও দুই ছয়ে ১১৫ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া ওপেনার সাদমান ইসলাম (৪৭), তাসামুল হক (৩৭) ও শরিফউল্লাহ (১৭) রানের ইনিংস খেলেন।
ক্রিকেট কোচিং স্কুলের (সিসিএস) বোলারদের মধ্যে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া সালমান হোসেন ও উত্তম সরকার দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
২৭১ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সিসিএস শুরুতেই উইকেট হারায়। দলীয় ২০ রানে ওপেনার অমিত মজুমদার (১২) মাশরাফির বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। অবশ্য দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও পিনাক ঘোষ ৬৯ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৯ রানে পিনাক ফিরে গেলে ক্রিজে নামেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি করা সালমান হোসেন। কিন্তু তিনিও রানের খাতা না খুলে আব্দুর রাজ্জাকের শিকারে পরিণত হন। এরপর আরও চার রান যোগ করে ফিরে যান সাইফ হাসান (৩৪)।
নাসুম আহমেদের বিদায়ের পর রাজিন সালেহ ও উত্তম সরকার কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেষ্টা চালান। কিন্তু রাজিন সালেহকে খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকার সুযোগ দেয়নি কলাবাগানের বোলাররা। দেওয়ান সাব্বির রিটার্ন ক্যাচ নিয়ে ২৭ রানে সাজঘরে ফেরান রাজিন সালেহকে।
তবে একপ্রান্তে অবিচল থাকা উত্তর সরকার হাফসেঞ্চুরির দেখা পান। তিনি ৬৩ রান করে মাশরাফির শিকারে পরিণত হন। শেষ পর্যন্ত সিসিএস নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২১ রান সংগ্রহ করে। কলাবাগানের বোলারদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নিয়েছেন। মাশরাফি দুটি উইকেট নেন। এছাড়া ইসলামুল আহসান ও দেওয়ান সাব্বির একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/এমআর/








