৬ জুন মিরপুরে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমির বিপক্ষে এগারোতম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। ওই ম্যাচটি জিতলেই চলতি মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগের সুপার সিক্সে নাম লেখাবে মাশরাফির কলাবাগান। তবে শেষ ম্যাচে কিছু সমীকরণ মাথায় রেখে মাঠে নামতে হবে মাশরাফির দলকে। কেননা প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব, শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও কলাবাগানের পয়েন্ট সমান দশ করে। শেষ রাউন্ডের শেষ দিনের ম্যাচের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে চতুর্থ, পঞ্চম ও ৬ষ্ঠ দল হিসেবে কারা সুপার সিক্স খেলছে!
তবে শনিবার ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে সবকিছু ছাপিয়ে মাশরাফির কলাবাগান সুপার সিক্সের পথে এক পা বাড়িয়ে রাখলো মোহামেডানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে। জয়ের জন্য শেষ দশ ওভারে কলাবাগানের প্রয়োজন ছিল ৬০ বলে ৩২ রান; হাতে ৬ উইকেট। খুব সহজেই ম্যাচটি জিতে নেয় কলাবাগান। ৪১ বল হাতে রেখে ৪ উইকেট হারিয়ে কঠিন লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।
আগে ব্যাটিং করা মোহামেডান নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে। ভারতীয় ব্যাটসম্যান বিপুল শর্মার সেঞ্চুরি ও মুশফিকুর রহিমের হাফসেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে সমর্থ হয় মোহামেডান। বিপুল ৮৬ বলে ১০০ এবং মুশফিক ৭১ বলে ৭৫ রান করেন। এছাড়া ইজাজ আহমেদ ৩২, আরিফুল হক ২১ ও হাবিবুর রহমান ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন দেওয়ান সাব্বির। এছাড়া আব্দুর রাজ্জাক, তানভীর হায়দার ও শাহবাজ চৌহান প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
২৯১ রানের জয়ের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে ফতুল্লায় শুরুতেই উইকেট হারায় কলাবাগান। এরপর শুরু হয় টর্নেডো ইনিংস। চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো খেলতে নামেন হাসানুজ্জামান। তিনি ৫৩ বলে ৯৫ রান করে আউট হওয়ার আগে মোহামেডানের বোলারদের ওপর চড়াও হন। ৪টি চার ও ৮টি ছয়ে তিনি তার ৮৫ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
হাসানুজ্জামানের ইনিংসে অনুপ্রাণিত হয়ে তাসামুল হক খেলেন অপরাজিত ১২৬ রানের ইনিংস। এছাড়া তানভীর হায়দার ৫২ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন।
মোহামেডানের বোলারদের মধ্যে নাঈম ইসলাম সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন ও নাঈম ইসলাম জুনিয়র প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/এফআইআর/








