সদ্য সমাপ্ত ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের দায়ে রিপোর্টেড হয়েছেন ১১ বোলার। ওই ১১ জনের মধ্যে দুইজনকে নিয়ে কাজ শুরু করছে বিসিবির বোলিং রিভিউ কমিটি।
বুধবার থেকে এই কমিটি বোলিং অ্যাকশন সংশোধনের কাজ শুরু করবে। এদিন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের অমিত কুমার নয়ন ও মোহামেডানের নাঈম ইসলাম জুনিয়রকে নিয়ে কাজ শুরু করবে রিভিউ কমিটি। এ জন্য মিরপুরের ইনডোরে ৬টি টু-ডি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে রিভিউ কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা বুধবার সকাল দশটায় নাঈম ইসলাম জুনিয়র ও অমিত কুমার নয়নকে নিয়ে কাজ শুরু করবো। এর জন্য ক্যামেরা সেটআপ করতে হবে। তাও করা হয়ে যাবে। এই দুইজনকে নিয়ে আমরা প্রথম দিন কাজ করার পর তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
আইসিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন বোলারকে বোলিং অ্যাকশনের শুদ্ধতা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকম বোলিং করতে হয়। বিসিবি’র বোলিং রিভিউ কমিটিও সেই নিয়ম অনুসরণ করবে বলে জানান জালাল ইউনুস। আধুনিক সরঞ্জাম না থাকলেও এই পদ্ধতিতে ত্রুটি বের করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।
এখানে অ্যাকশন সংশোধনে ব্যর্থ হবেন যারা, তাদের ওপর কঠোর হবে বিসিবি। এ ব্যাপারে রিভিউ কমিটির চেয়ারম্যান জানান, ‘মূলত প্রথমে রিপোর্টেড হওয়ার পর আমরা যাদের নিয়ে কাজ করবো, তাদের অ্যাকশন যদি শুধরে যায় তাহলে তাদের খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। ১২০ দিন তারা খেলার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে যদি আবারও রিপোর্টেড হয়, পর্যালোচনার জন্য আমাদের কাছে আসতে হবে। তখন আমরা তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিব। আমরা চাই না, একজন অবৈধ বোলার দীর্ঘদিন ধরে খেলা চালিয়ে যাক। সেই সুযোগ আমরা ক্রিকেটারদের দেব না।’
প্রসঙ্গত, রিভিউ কমিটির চেয়ারম্যান বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস। এছাড়া তার সঙ্গে কমিটিতে আছেন তিন সাবেক ক্রিকেটার দিপু রায় চৌধুরী, ওমর খালেদ রুমি ও গোলাম ফারুক সুরু। উল্লেখ্য, এই কমিটির আওতায় থাকবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম বিভাগ ও দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট, জাতীয় লিগ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)।
/আরআই/এমআর/







