ঘরোয়া ক্রিকেটে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের কারণেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন সাতক্ষীরার সন্তান সৌম্য সরকার। যদিও জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর তিন ফরম্যাটে মাত্র ৬টি ম্যাচে (তিনটি টেস্ট, দুটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি) বোলিং করেছেন তিনি।
তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে সবার আগে সৌম্যর অভিষেক হয় ওয়ানডে ক্রিকেটে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে বল হাতে নেওয়ার সুযোগ হয়নি তার। ঘরের মাঠে এই একটি ম্যাচ খেলেই সৌম্য সুযোগ পান অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে। ওই টুর্নামেন্টে আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বোলিং করেছিলেন। কিন্তু সফল হতে পারেননি। এরপর আরও দশটি ওয়ানডে খেলেছেন ভারত-পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। কিন্তু অধিনায়কের তাকে বল হাতে দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
চলতি বছর সৌম্য জাতীয় দলের জার্সিতে সবকটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই খেলেছেন। ১৬টি ম্যাচে তার ব্যাটিং পারফরম্যান্স আশাব্যঞ্জক নয়। আর এ ম্যাচগুলোতে মাশরাফিরও প্রয়োজন হয়নি সৌম্যর হাতে বল তুলে দেওয়ার।
যদিও সৌম্য ইনজুরির কারণে প্রস্তুত ছিলেন না ওই সময়গুলোতে বোলিং করতে। তবে ইনজুরির কারণে নিয়মিত বল না করলেও সামনে বোলিং নিয়ে বিস্তর পরিকল্পনা রয়েছে সৌম্যর।
এ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ কালে সৌম্য বলেন, ‘না, বোলিং ছাড়বো না। ইনজুরির জন্য বোলিংটা কিছুদিন বন্ধ ছিল। প্রিমিয়ার লিগে বোলিং শুরু করেছি। এখন আমি শতভাগ ফিট, আশা করি সামনে বোলিং করবো।’
প্রসঙ্গত, সর্বশেষ প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুম পর আবারও বল হাতে নিয়েছেন সৌম্য। প্রথম ম্যাচটি খেলেছেন ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে, সেখানে অবশ্য বোলিং করতে হয়নি। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ২ ওভার বোলিং করেছেন সৌম্য। যেখানে সফলও ছিলেন। সব মিলিয়ে ১৫ ম্যাচে ৭ ইনিংসে বল করে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
/আরআই/এফআইআর/








