গত দেড় বছরে বাংলাদেশের বেশিরভাগ সাফল্য এসেছে পেসারদের হাত ধরে। সেই সুবাদে বর্তমান দলে অনেক পেসার রয়েছে। পেসারদের মধ্যে চলছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। যদিও পেসার আল আমিন এটা মানতে নারাজ। মঙ্গলবার চলমান জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্প শেষে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন। তারই চুম্বক অংশ বাংলা ট্রিবিউন পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন : পেস বোলিংয়ে অনেক পরিবর্তন এনেছেন। আপনার বর্তমান লক্ষ্য কী?
আল আমিন : এটা আসলে নির্ভর করে দলের গেমপ্ল্যান এবং কোন পরিবেশ পরিস্থিতিতে খেলা হচ্ছে তার ওপর। মাশরাফি ভাই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার কাছ থেকে অনেক অনুপ্রেরণা পাচ্ছি কিভাবে আরও ভালো করা যায়।
প্রশ্ন : পেসারদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা কিভাবে দেখছেন?
আল আমিন : আমি এটাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখি না। কারণ এখানে যে যখন সুযোগ পাবে, তখন তার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবে। আমি যখন সুযোগ পাচ্ছি তখন সেরাটাই দিচ্ছি। মুস্তাফিজ, তাসকিন, রুবেল বা মাশরাফি ভাই নিজেদের সেরাটাই দিচ্ছে। সুতরাং টিকে থাকতে হলে যার যার সেরাটাই দিতে হবে। আমার কাছে মনে হয় এটা একটা ইতিবাচক চ্যালেঞ্জ।
প্রশ্ন: টেস্ট নিয়ে কী ভাবনা?
আল আমিন : আমি শেষ টেস্ট খেলেছিলাম মিরপুর স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই। তারপর ওদের সঙ্গে আরও টেস্ট ছিল কিন্তু ওই সময় আমার অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা ছিল তাই ওই সময় ছুটি নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি। এরপর বাংলাদেশ অনেকগুলো টেস্ট খেলেছে তবে আমি খেলতে পারিনি। তবে চেষ্টা করছি ফিটনেস আরও বাড়িয়ে যাতে ফিরতে পারি। যেভাবে সাদা বলে সেরাটা দিয়েছি, সেভাবে লাল বলেও দিতে চাই।
প্রশ্ন: টেস্টের চ্যালেঞ্জ কতটা?
আল আমিন: টেস্টে আমার কাছে মনে হয় উইকেটটা একটা ফ্যাক্টর। উইকেট যদি সিমিং কিংবা স্পোর্টিং উইকেট হয় সেক্ষেত্রে বোলারদের জন্য অনেক সহজ হয়। আপনি যদি স্পিনিং ট্র্যাক করেন সেক্ষেত্রে পেস বোলাররা বল করবে সাত ওভার, আট ওভার বা দশ ওভার। তখন কিন্তু আমাদের দায়িত্ব থাকে রান কমানো। তখন স্পিনারদের দায়িত্ব থাকে উইকেট নেওয়া। সেক্ষেত্রে কন্ডিশনটা একটা বিষয়।
প্রশ্ন : আকিব জাভেদের কাছ থেকে কী শেখার আছে?
আল আমিন : দুই দিনে উনি কী শেখাবেন আমি জানি না। আমরা নিজেরা কতটা নিতে পারবো সেটা আসল বিষয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি উনি যদি সাইকোলজিক্যালভাবে যদি কিছু করেন ওটাই আমাদের জন্য কার্যকরী হবে। কারণ আমাদের এই পর্যায়ে আউটসুইং, ইনসুইং বা স্লোয়ার এইগুলো শেখানোর কিছু নেই।
/আরআই/এফআইআর/








