ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় পত্রিকা টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার হোটেল থেকে মাঠে; মাঠ থেকে হোটেলে যাওয়ার বিষয়ে তাদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশে তিন দিনের সফর করে যাওয়া নিরাপত্তা প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের নিরাপত্তা প্রধান রেগ ডিকাসন এ ব্যাপারে জানান, হোটেল কিংবা স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নয় বিমানবন্দর থেকে হোটেল এবং হোটেল থেকে মাঠ পর্যন্ত যাওয়ার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত তারা। তাদের মতে এশিয়ার জনবহুল শহরগুলোতে নিরাপত্তা দেওয়াটা একটু কঠিনই।
যদিও এতে ভিন্নমত পোষণ করেছেন মাশরাফি। তার মতে রাস্তায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা খুব কঠিন কাজ নয়। বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তিনি বলেন, ‘তারা যেহেতু দেখতে এসেছিলেন, দেখে হয়তো এই সমস্যাটা বের করেছেন। তবে আমি জানি না কোন হিসেবে তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন। আমাদের ক্ষমতা আছে খেলোয়াড়দের ঠিক ভাবে নিয়ে যাওয়া এবং নিয়ে আসার। এখানে কিন্তু পরিবার আছে। আমরাওতো মানুষ। আমাদের এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। আমি মনে করি বিসিবি খুব ভালোভাবে বিষয়টি সামলাতে পারবে। আমার বিশ্বাস, এটা খুব কঠিন কাজ নয়।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘যে কোনও একটা অফিসিয়াল ট্যুরে দুই বোর্ড মিলে সিদ্ধান্ত নেয়। আসলে এগুলো কী অবস্থায় আছে সেগুলো খেলোয়াড়দের থেকে বেশি নির্ভর করে বোর্ডের ওপর। আমার বিশ্বাস অবশ্যই ইসিবি শক্তভাবে বিষয়টি দেখবে এবং আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তারা সন্তুষ্ট হবে।’
বিভিন্ন দেশের প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনগুলো তাদের খেলোয়াড়দের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে কাজ করে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনটি অনেকদিন ধরেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। মাশরাফি অবশ্য অনেকটাই মেনে নিলেন বিষয়টি। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রভাব একটু থাকেই। সারা বিশ্বেই এটা আছে। হয়তো আমরা এতোটা শক্তিশালী ভাবে করতে পারিনি। কেননা আমাদের খেলোয়াড়দেরও কিছুটা ভুল আছে। তারপরও আমি মনে করি, যদি সুযোগ থাকে এখান থেকে কিছু করার, তারা করতে পারে। যদি সুযোগ থাকে কিছু করা উচিত।’
/আরআই/এফআইআর/








