ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর গত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ খেলেছে টাইগাররা। তাও প্রায় দুই মাস আগে। প্রায় দেড়মাস পর আবারও ম্যাচ খেললেন মুশফিক-তামিমরা। যদিও মন ভরাতে পারেননি। ইংল্যান্ড সিরিজের আগে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচটি বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। লো-স্কোরিং এই ম্যাচে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে মিরপুরের ২২ গজে। রিয়াদ অবশ্য প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচটিকে ইতিবাচক ভাবেই দেখছেন। তার বিশ্বাস সামনের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে দলের আরও উন্নতি টের পাওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়া রিয়াদ বলেন, ‘ভালোভাবেই শুরু হয়েছে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচটি। সবার মধ্যে ম্যাচটি ঘিরে আলাদা আলাদা পরিকল্পনা ছিল। সকালবেলা মাঠে নামার আগেই সবাইকে ম্যাচের মতো মানসিকতা নিয়ে খেলার কথা বলা হয়েছিল। অনেকদিন ধরে আমরা ম্যাচও খেলছিলাম না। সবাই এই প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমার মনে হয় আজকে ভালো শুরু হয়েছে। আশা করি সামনে আরও দুটি অনুশীলন ম্যাচ আছে, সেখানে এর চেয়ে ভালো হবে।’
মিরপুরের উইকেটে ইমরুল-এনামুল-নাফিস-লিটনকে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে। তার প্রত্যেকেই ডাবল ফিগারে যাওয়ার আগেই সাজঘরের পথ ধরেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা বাজে ছিল লাল দলের। ব্যর্থ হয়েছেন টপ অর্ডারের তামিম-সৌম্য-সাব্বির। অনেকদিন পর ম্যাচ খেলা-এই কারণেই লো স্কোরিং ম্যাচ কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন রিয়াদ।
তিনি বলেন, ‘না, আমার এমনটা মনে হয় না। সকালের উইকেটে ব্যাটিং করাটা খুব কঠিন ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে নতুন বলে বেশ ভালো সুইং করেছে। দ্রুত উইকেট পড়েছিল শুরুতে। ওদেরও (সবুজ দল) পড়েছিল। আমরা হয়তোবা ওভারকাম করাতে ম্যাচটা জিততে পেরেছি। সবাই যদি আরও একটু চেষ্টা করে তাহলে সামনের ম্যাচে ভালো করতে পারবে। আমি নিশ্চিত সবাই চেষ্টা করেছে। সামনের ম্যাচে হয়তো এর প্রতিফলন পাওয়া যাবে।’
লাল দলকে জেতাতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৬২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। নিজের ইনিংস সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু আমার সাধারণ প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যাটিং করার চেষ্টা করেছি। কারণ ওই সময়টাতে একটি জুটি প্রয়োজন ছিল। সৈকত আমার সঙ্গে দারুণ ব্যাটিং করেছে। সবুজ দলের মুশফিক ও নাসির খুব ভালো একটি জুটি গড়েছিল। আশা করি আস্তে আস্তে আমাদের আরও উন্নতি হবে।’
/আরআই/এফআইআর/








