বাংলাদেশ জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিক চলে যাওয়ার পর থেকেই অভিভাবকহীন টাইগার বোলাররা! শুক্রবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন চলতি সপ্তাহে জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচের নাম ঘোষণা করা হবে। এই অবস্থায় বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করছেন ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন! অবাক হওয়ার মতো বিষয় হলেও এটাই সত্যি।
রবিবার এমনটাই জানালেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার আল আমিন হোসেন। পেস বোলার হওয়ার সুবাদে মারিও পেসারদের অনেকভাবেই সাহায্য করছেন বলে জানান তিনি। ১১৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৩৭৮ উইকেট নিয়েছিলেন ডনহাতি পেসার ভিল্লাভারায়েন। সেই অভিজ্ঞতাই এখন কাজে লাগাচ্ছেন তিনি। আল আমিন বলেন, ‘আপাতত ট্রেনার মারিও আমাদের সাহায্য করছেন। যতটুকু পারছেন ততটুকু সাহায্য করার চেষ্টা করছেন।’
পেস বোলিং কোচ না থাকায় কিছুটা আফসোস তার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘কোচ থাকলে ভালো হতো। আকিব জাভেদ কিছুদিন আগে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। হিথ স্ট্রিকও কাজ করেছেন অনেক দিন আগে। তারা যে বিষয়গুলো আমাদের শিখিয়েছেন, যে বিষয়গুলো অনুসরণ করে আমরা সাফল্য পেয়েছি সে বিষয়গুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করছি।’
পেস বোলিং কোচ না থাকলেও নিজেদের চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না বলে জানান তিনি। আল আমিন বলেন, ‘সব সময় চেষ্টা করি নিজেদের মধ্যে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে। ব্যাটসম্যানদের কে কতবার আউট করতে পারি। কে, কতো ভালো জায়গায় বল করতে পারি। কে ভালো করছে, কে খারাপ করছে, কারও কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা এসব দেখি। যেমন রুবেল ভাই বললেন, দেখ আমি একটা স্লোয়ার মেরেছি সেটা জায়গায় পড়েছে কি না। এগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করি।’
বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ কে হবেন, এটা অবশ্য চলতি সপ্তাহে ঠিক হয়ে যাচ্ছে। আল আমিন অবশ্য এইসব নিয়ে ভাবছেন না। তিনি জানান, ‘আসলে আমাদের অনেক দিন ধরে ফিটনেস ক্যাম্প হয় না। গত একমাস ফিটনেস ক্যাম্পের পর আমাদের ব্যাটিং-বোলিং শুরু হল চার-পাঁচদিন হয়েছে। আমরা যারা পেস বোলার কিংবা স্পিনার আছি তারা শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগে যে ধারাবাহিকতা ছিল সেটা সামনেও বজায় থাকবে।’
/আরআই/এমআর/








