সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে খুব একটা বিবেচিত হন না টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস। বলতে গেলে দলের টপ অর্ডারদের ব্যর্থতা কিংবা ইনজুরির কারণে গত কয়েক বছর ধরে সুযোগ পাচ্ছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। টেস্ট ক্রিকেটে অটোমেটিক চয়েজ হিসেবে থাকা ইমরুল কায়েস আসন্ন আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০ জনের পুলে সুযোগ পেয়েছেন। আর আফগানিস্তানের বিপক্ষেই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চান ২৯ বছর বয়সী ইমরুল। বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তিনি বলেছেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলাটা আমার জন্য একটা সুযোগ। আফগান সিরিজে আমার লক্ষ্য থাকবে ভালো পারফর্ম করা এবং দলের জন্য কিছু করা।’
প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভালো খেলার কথা বললেও প্রতিপক্ষকে সমীহ করছেন ইমরুল, ‘ওরা এশিয়ার মধ্যে এখন ভালো দল, বেশ উন্নতি করেছে। তবে আমরা যদি ভালো ক্রিকেট খেলি তাহলে ওদের বিপক্ষে জিততে সমস্যা হবে না। আর ইংল্যান্ডের আগে আফগানিস্তানকে পাচ্ছি, এটা আমাদের জন্যই খুবই ভালো হয়েছে।’
গত কয়েক বছর টেস্ট ক্রিকেটে তামিমের সঙ্গে নিয়মিত ওপেনার ইমরুল কায়েস। গত বছর তামিমের সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেট বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১২ রানের জুটি গড়েন। এছাড়া ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ১৫০ রান করেন ওই ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে। টেস্টে ভালো করলেও নিজেকে কখনোই শুধু টেস্ট ব্যাটসম্যান ভাবেন না ইমরুল, ‘আমি বিশ্বাস করি না যে আমি শুধুই একজন টেস্ট ক্রিকেটার। আমার বিশ্বাস টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টিতেও সমান পারদর্শী। আমাকে নতুন করে প্রমাণের আর কিছু নেই। আমি জানি কোনটা করতে পারি আর কোনটা করতে পারি না। আগের দিনগুলোতে আমি ওয়ানডেতে ভালো পারফর্ম করেছি। টি টোয়েন্টিতেও তেমনি ছিলাম। আপনারা দেখেছেন বিপিএল-এ আমি ভালো খেলেছি; টেস্টেতো খেলছিই। আমি মনে করি এখন সব ফরম্যাটের জন্যই আমি ফিট।’
টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত হওয়া ইমরুল গত বছর মাত্র ২টি ওয়ানডে খেলেছেন। অথচ বাংলাদেশ পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছে ১২টি ওয়ানডে। দুটি ওয়ানডেতে পর পর দুটি ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি এসেছে তার ব্যাট থেকে। এ অবস্থায় এমন জায়গা হারানোর বিষয়টিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন বলেই মনে করেন ইমরুল, ‘অভ্যস্ত হয়ে গেছি, তাই এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। বিশ্বকাপেও আমার থাকার কথা ছিল কিন্তু ছিলাম না। প্রথমে খারাপ লেগেছে পরে অবশ্য ভেবেছি এটাই জীবন। এভাবেই নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি। তবে এখন চ্যালেঞ্জ হলো নিজেকে কতদূর নিয়ে যেতে পারি।’
/আরআই/এফআইআর/








