৮ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠে নামা। মোশাররফ হোসেন রুবেলের ওপর চাপ ছিল আকাশ সমান। যার প্রমাণ ব্যাটিংয়ে গিয়ে স্পষ্টই রেখেছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞ এই স্পিন অলরাউন্ডার। ব্যাটিংয়ে খারাপ করলেও বোলিং দিয়ে জাতীয় দলে নিজের জায়গার জোর দাবি দিয়ে রাখলেন তিনি।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে উইকেট উৎসবের শুরুটা করেন মাশরাফি। তার পর জোড়া আঘাত হানেন বাঁহাতি এই স্পিনার। নওরোজ মঙ্গলকে ৩৩ রানে বিদায় করার পর হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে শূন্য রানে ফেরান তিনি। তার তৃতীয় শিকার মোহাম্মদ নবী। রিটার্ন ক্যাচের ফাঁদে ফেলে নবীকে ৩ রানে সাজঘরের পথ দেখান মোশাররফ।৮ ওভারে একটি মেডেনসহ ২৪ রান খরচায় পেয়েছেন ৩ উইকেট।
বোলিংটা ভালো করলেও এদিন ব্যাট হাতে দর্শকদের দুয়োই শুনতে হয়েছে তাকে। এমনকি তার আউটে করতালি দিয়েছে মিরপুরে আসা দর্শকরা! অবশ্য হওয়ারই কথা। কেননা ম্যাচের শেষ দিকে এসে ১৯ বল খেলে নিয়েছেন মাত্র ৪ রান। এমনকি তার ব্যাট চালানোতেও ছিলো আনাড়ি ভাব! তারপরও সব মিলিয়ে মোশারফ হোসেন রুবেলের প্রত্যাবর্তন দুর্দান্তই বলা চলে।
ক্যাম্পের শেষ দিকে এসে হঠাৎই ডাক পান বাঁহাতি এ স্পিনার। সোহরাওয়ার্দী শুভ প্রাথমিক ক্যাম্পে থাকলেও স্কিল ট্রেনিংয়ে শুভর বোলিংয়ে খুশি নন কোচ। নেটে এবং প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে শুভর বোলিং মন গলাতে পারেনি হাথুরুসিংহের। এজন্য বিকল্প অপশন হিসেবেই ক্যাম্পে যোগ দেন মোশাররফ রুবেল।
২০০৮ সালে সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন মোশাররফ হোসেন। যদিও ২০১৩ সালে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সফরে জাতীয় দলের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। কিন্তু সিরিজের কোনও ম্যাচেই একাদশে সুযোগ হয়নি তার।
উল্লেখ্য, জাতীয় দলে না খেললেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিতই খেলেছেন তিনি। বিসিএলে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন গত বছর। জাতীয় ক্রিকেট লিগেও ছিল ভালো পারফরম্যান্স। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে ১২ উইকেটের পাশাপাশি ব্যাট হাতে করেছেন ৩৫০ রান।
/আরআই/কেআর/








