ইংলিশদের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটিতে ব্রিস্টলের ছায়া ফিরে এসেছিল মিরপুরের ২২ গজে। আজ থেকে ছয় বছর আগে ২০১০ সালে, মাশরাফি ওয়ানডে ক্রিকেট সর্বশেষ ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন ব্যাট ও বলে সমান পারফরম্যান্স করে। এরপর অনেক বছর কেটে গেলেও ম্যাচ সেরা হওয়া হয়নি তার। তবে ম্যাচ সেরা না হলেও গত দুবছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানের পেছনের কারিগরতো তিনিই। তাইতো খুব বেশি অনুভূতি নেই মাশরাফির।
তিনি বলেন, ‘ম্যাচ সেরা হয়েছি-এজন্য আলাদা কোনও অনুভূতি নেই। সব সময় দল জিতলে ম্যাচ সেরার পুরস্কার কেউ না কেউ পাবেই। আজকে ম্যাচটা জিততে পেরেছি বলেই ভালো লাগছে।’
মুস্তাফিজ না থাকাতে চ্যালেঞ্জে পড়ছেন মাশরাফি। গত এক বছর নতুন বলে বোলিং করেছেন মুস্তাফিজ, তাসকিন কিংবা রুবেল। কিন্তু মুস্তাফিজের ইনজুরিতে চ্যালেঞ্জটা নিজেই নিয়ে নিয়েছেন। তাইতো গত আফগানিস্তান সিরিজ ও চলতি ইংল্যান্ড সিরিজে নতুন বলে বোলিং করার গুরু দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে নিয়েছেন মাশরাফি।
এ প্রসঙ্গে রবিবার সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, ‘২০১৫ সালে নতুন বলে বোলিং করতে পারিনি। এখন হয়ত মুস্তাফিজ নাই তাই করতে হচ্ছে। শুরুতে করাটা একটু চ্যালেঞ্জিং। ভালো লাগছে যে সময়টা ভালো যাচ্ছে। প্রত্যেকটা ম্যাচ ভালো যাবে না। চেষ্টা করছি ভালো করার।’
রবিবার শুরু থেকেই মাশরাফি বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। শুরুতেই মাশরাফির আক্রমণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় ইংলিশদের ব্যাটিং লাইনআপ। ৮.৪ ওভার বোলিং করে ২৯ রান খরচায় মাশরাফি ৪টি উইকেট নিয়েছেন। নিজের বোলিং সম্পর্কে বলতে গিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘বোলিংয়ের ক্ষেত্রে ফিটনেস একটু উন্নত হলে ভালো হয়। একই সঙ্গে গত বছর আমি ১০–১৫ ওভারের পর বোলিংয়ে এসেছি। তখন আমি ওই সময়ে সিমটা পেতাম না; যেহেতু সিম-আপে বোলিং করি। নতুন বলে বল করতে গেলে খেয়াল রাখতে হয়। আজও আমি দুটো কাটারে উইকেট পেয়েছি। তারপরও আমি সিমের ওপর ডেলিভারি বেশি করেছি। এতে সুইং পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।’
/আরআই/এআর/








