উপমহাদেশের কন্ডিশনে খেলাটা কঠিন হবে, সেটা ভারত সফরে আসার আগে খুব ভালো করেই জানাতো নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এতটা কঠিন হবে, এটা সম্ভবত ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি তারা। সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছিল তাদের দ্বিতীয় টেস্টেই, হোয়াইটওয়াশ লজ্জা থেকে বাঁচার জন্য নেমেছিল ইন্দোরে। যদিও পারলো না, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ঘূর্ণিতে দিশেহারা কিউইরা আরও বড় লজ্জা পেয়ে হয়েছে হোয়াইটওয়াশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৫৩ রানে গুটিয়ে গিয়ে হেরেছে তারা ৩২১ রানে।
যা আবার রানের দিক থেকে ভারতের দ্বিতীয় বড় জয়। সর্বোচ্চ রানের জয়টা এসেছিল গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৩৭ রানের। শুরুটা করেছিলেন বিরাট কোহলি ও আজিঙ্কা রাহানে। বিরাটের ডাবল সেঞ্চুরি (২১১) ও রাহানের (১৮৮) ডাবল সেঞ্চুরি ছুঁইছুঁই ইনিংসের পর বল হাতে নিউজিল্যান্ডকে গুড়িয়ে দিয়ে অশ্বিন তুলে নেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ছাড়িয়ে গেলেন আগেরটাকেও। এবার তার শিকার ৭ উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ২৯৯ রানে অলআউট হওয়া সফরকারীদের ফলোঅন না করিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে ভারত। চেতশ্বর পূজারার সেঞ্চুরির (১০১*) সঙ্গে গৌতম গম্ভীরের (৫০) হাফসেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ২১৬ রানে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। তাতে নিউজিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৫। কঠিন লক্ষ্যের সামনে খেলতে নেমে অশ্বিনের সামনে কুপোকাত সফরকারীরা। এই স্পিনারের ঘূর্ণির সামনে দাঁড়াতে পারেননি কোনও ব্যাটসম্যানই। সর্বোচ্চ ৩২ রান এসেছে রস টেলরের ব্যাট থেকে। অশ্বিন ৫৯ রানে নেন ৭ উইকেট।
ম্যাচে তার শিকার ১৪০ রানে ১৩ উইকেট। এ নিয়ে ২১বার পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন অশ্বিন, আর ষষ্ঠবার ম্যাচে নিলেন দশ বা তার বেশি উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর ম্যাচসেরার পুরস্কার তার হাতে উঠাই তো স্বাভাবিক।
/কেআর/








